
পাহাড়ী ঢল অব্যাহত ও টানা পানিবন্দী থাকায়, সিলেট-সুনামগঞ্জে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে।
কুশিয়ারার পানি কিছুটা বাড়ায় সিলেট শহরের বাইরে ফেঞ্চুগঞ্জ, বিশ্বনাথ ও বালাগঞ্জে নতুন করে কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। দুইদিন কমার পর আজ আবার বাড়ছে সুরমা নদীর পানি। নদীর তীর উপচে পানি ঢুকে সিলেট নগরীরও বেশকিছু এলাকা প্লাবিত। বন্যা দীর্ঘায়িত হওয়ায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট বেড়েছে। ত্রাণের জন্য হাহাকারও দেখা দিয়েছে অনেক জায়গায়। এদিকে বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কৃষক ও মৎস্যজীবীরা। তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ ধানের ক্ষেত, ভেসে গেছে হাজারও খামারের মাছ। অন্যদিকে, সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি বিদপসীমার ৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে টানা পানিবন্দি এলাকাগুলোতে কমেনি মানুষের দূর্ভোগ। রাস্তাঘাটসহ বসতঘরে পানিতে তলিয়ে থাকা চরম কষ্টে দিন পার করছেন এসব জায়গার বাসিন্দারা।



