
রমনার বটমূলে শুরু হয়েছে বর্ষবরণ উৎসব। মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দুবছর বন্ধ থাকার পর আবারও আনন্দঘন পরিবেশে সম্মিলিত কণ্ঠে ছায়ানটের শিল্পীরা রবীন্দ্রসংগীত ‘মন, জাগ মঙ্গললোকে’ গানের মধ্যদিয়ে নতুন বঙ্গাব্দ ১৪২৯–কে স্বাগত জানান।
বৃহপতিবার ভোর ৬টার পর যন্ত্রবাদন দিয়ে এবারের অনুষ্ঠান শুরু হয়। ছায়ানটের ৮৫ জন শিল্পী বর্ষবরণ উৎসবে অংশ নেন। এ সময় মঞ্চের সামনে বসে কয়েকশ মানুষকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করতে দেখা যায়।
এ অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়েই যাত্রা শুরু হলো নতুন আরেকটি বাংলা বছরের। বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যুক্ত হলো নতুন বছর ১৪২৯। পয়লা বৈশাখ আমাদের সব সঙ্কীর্ণতা, কূপমণ্ডুকতা পরিহার করে উদারনৈতিক জীবন-ব্যবস্থা গড়তে উদ্বুদ্ধ করে। আমাদের মনের ভিতরের সকল ক্লেদ, জীর্ণতা দূর করে আমাদের নতুন উদ্যোমে বাঁচার অনুপ্রেরণা দেয়।আমরা যে বাঙালি, বিশ্বের বুকে এক গর্বিত জাতি, পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণে আমাদের মধ্যে এই স্বাজাত্যবোধ এবং বাঙালিয়ানা নতুন করে প্রাণ পায়, উজ্জীবিত হয়।
অন্যদিকে পহেলা বৈশাখ বাঙালির একটি সার্বজনীন লোকউৎসব। এ দিন আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নেওয়া হয় নতুন বছরকে। কল্যাণ ও নতুন জীবনের প্রতীক হলো নববর্ষ। অতীতের ভুলত্রুটি ও ব্যর্থতার গ্লানি ভুলে নতুন করে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় উদযািপিত হয় নববর্ষ।
পহেলা বৈশাখ উদযাপনে রাজধানীসহ সারা দেশে চলছে বর্ষবরণের নানা আয়োজন। ‘বাংলা নববর্ষ ১৪২৯’ জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। দিনটি সরকারি ছুটির দিন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।
বাংলাটিভি/জাবেদ



