
চলতি সপ্তাহে তাপমাত্রা ওঠানামা করলেও, শীতের দাপট কমছে না। এরমধ্যে মৌসুমী স্বাভাবিক লঘুচাপের প্রভাবে দেশজুড়ে বৃষ্টি। এমন অবস্থায় শীতের সাথে বৃষ্টিময় আবহাওয়া বাড়িয়ে দিয়েছে ঠান্ডার মাত্রা। কনকনে হাওয়ায় স্থবির জনজীবন। তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন হতদরিদ্র মানুষ ও খেটে খাওয়া দিনমুজুরেরা। বৃষ্টির কারণে, সামনে তাপমাত্রা কমার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শীতে বর্তমানে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ এর উপরে থাকলেও, দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপের প্রভাবে প্রায় সারাদেশেই কমবেশি বৃষ্টি হচ্ছে গতকাল থেকে। আজও বিভিন্নস্থানে দিনভর হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। সাথে কনকনে হাওয়ায় বেড়েছে ঠান্ডার তীব্রতা।
মাঘের হার কাঁপানো শীতে সবচেয়ে বেশি কাবু হয়ে আছে উত্তরের জনপদ। কুড়িগ্রামে গতকাল বিকেল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে একটানা। আজ সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। গুড়িবৃষ্টির সাথে বাতাসের কারণে ঘর থেকে কাজে বের হতে না পেরে দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা পড়েছেন চরম বিপাকে।
জয়পুরহাটে চলতি সপ্তাহে তাপমাত্রা ওঠানামা করলেও, এখন বৃষ্টির কারণে আরো জেঁকে বসেছে শীত। ব্যাহত হচ্ছে বোরো মৌসুমে ধান লাগানোসহ অন্যান্য কৃষিকাজ। সিরাজগঞ্জে দিনভরই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। থেমে থেমে বৃষ্টির সাথে হিমেল হাওয়ায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। বৈরী আবহাওয়ায় থমকে গেছে জনজীবন।
এদিকে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ঝিনাইদহে কয়েকদিন ধরেই সূর্যের দেখা নেই। তারউপর টানা গুড়িবৃষ্টির কারণে অলস সময় পার করছেন শ্রমজীবী মানুষেরা। বৃষ্টিতে লোকজন বাইর বের না হওয়ায় যান চলাচলও কমে গেছে। আবহাওয়া বিভাগ বলছে, বিভিন্ন জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা বা মাঝারী বর্ষণ হতে পারে। যার ফলে আরও কমে আসবে তাপমাত্রা।
বাংলাটিভি/জাবেদ



