
বিপিএলের একাদশ ম্যাচে শনিবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ১৭ রানে জিতেছে বরিশাল। শুরুতে ব্যাট করে ৯ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪১ রান সংগ্রহ করেছিল বরিশাল। জবাবে ১৯ ওভারে মাত্র ১২৪ রান তুলতেই সব উইকেট হারিয়ে ফেলে খুলনা।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে মাত্র ৫ রান তুলতেই দুই ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার ও সৌম্য সরকারের উইকেট হারায় খুলনা। দুজনেই বিদায় নেন আফগান স্পিনার মুজিবের বলে। এর মধ্যে ফ্লেচার ৩ বলে ৪ রান করলেও সৌম্য বিদায় নেন ‘গোল্ডেন ডাক’ মেরে। এরপর রনি তালুকদার ও মেহেদী হাসান মিলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও সাকিবের ঘূর্ণিতে ভাঙে এই জুটি। ইনিংসের সপ্তম ও নিজের প্রথম ওভারেই মেহেদীকে (১৭) স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন সাকিব।
মেহেদীর পর রনি তালুকদারও বিদায় নেন ৪ রান যোগ হতেই। লিন্টটের বলে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচ তুলে ফেরার আগে রনির ব্যাট থেকে আসে ১৪ রান। এরপর হাল ধরেন মুশফিক ও ইয়াসির। দুজনের জুটিতে আসে ৪৬ রান। ২০ বলে ২৩ রান করা ইয়াসির বোল্ড হন রানার বলে। ৯ বলে ১৯ রান করা থিসারা পেরেরা আশা জাগিয়েও ফেরেন শফিকুল ইসলামের বলে।
সিকুগে প্রসন্নাও লিন্টটের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হলে আরও বিপাকে পড়ে যায় খুলনা। ফরহাদ রেজাও গোল্ডেন ডাক মারেন রানা। এরপর দলীয় ১২৪ রানে শরিফুল্লাহকে হারায় খুলনা। এবারও হন্তারক সেই রানা। তবে আশা হয়ে থাকা মুশফিক ১৯তম ওভারের শেষ বলে বিদায় নিলে হেরে যায় খুলনা। রানার বলে উইকেটরক্ষক নুরুলের হাতে ক্যাচ তুলে দেওয়ার আগে মুশফিক ৩৬ বলে ১ ছক্কা ও ১ চারে করেন ৪০ রান।
বল হাতে ৪ উইকেট পেয়েছেন বরিশালের রানা। ২টি করে উইকেট গেছে মুজিব ও লিন্টটের দখলে। ১টি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন শফিকুল ও সাকিব।
এর আগে টস জিতে বরিশালকে ব্যাটিংয়ে পাঠান খুলনা অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।
বরিশালের সংগ্রহ মোটামুটি মানের হলেও ব্যক্তিগতভাবে কেউই নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। ওপেনার ক্রিস গেইল সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন। ক্যারিবীয় তারকা্ ৩৪ বলে ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজিয়ে সেকেগু প্রমন্নর বলে আউট হন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ বলে ২৩ রান করেন তৌহিদ হৃদয়।
খুলনার বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট পান কামরুল ইসলাম রাব্বি, থিসারা পেরেরা ও ফরহাদ রেজা।
বাংলাটিভি/শহীদ



