
২০২১-২২ অর্থবছরের চলতি জাতীয় বাজেট সহায়তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশকে ১০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ ৮৫০ কোটি টাকার বেশি।
মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে এ বিষয়ে একটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী,’প্রোগ্রাম লোন ফর সাস্টেইনেবল ইকোনমিক রিকোভারি প্রোগ্রাম (সাবপ্রোগ্রাম-১)’ শিরোনামের এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য কোরিয়ার এক্সিম ব্যাংক বাংলাদেশকে ১০০ মিলিয়ন ডলার দেবে।
বছরে এ ঋণের সুদহার হবে ০.০৫ শতাংশ। মোট ৪০ বছরের মধ্যে এই লোন পরিশোধ করতে হবে। তবে গ্রেস পিরিয়ড হবে ১৫ বছর।
করোনা মহামারির অভিঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সহায়তার অংশ হিসেবেই ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ড (ইডিসিএফ) থেকে এ ঋণ সহায়তা অনুমোদন দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
এই ঋণচুক্তিটিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ছিলেন ইআরডির অতিরিক্ত সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষে ছিলেন কোরিয়া এক্সিম ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর কিম টে-সো।
এর আগে করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার বাংলাদেশকে বাজেট সহায়তা হিসেবে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়া সরকার পাঁচ বছরের জন্য বাংলাদেশকে ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত নমনীয় ঋণ দেবে।
এ পর্যন্ত কোরিয়া প্রজাতন্ত্র বাংলাদেশের ২৪টি উন্নয়ন প্রকল্পে ইডিসিএফের মাধ্যমে অর্থায়ন করেছে। যার মোট পরিমাণ ১ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বাংলাটিভি/ রাপ্পি



