Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
বাংলাদেশঅপরাধআইন-বিচারবিনোদন

এদেশে উগ্রবাদী ও সাম্প্রদায়িকতার জায়গা নেই

এদেশে উগ্রবাদীর সাম্প্রদায়িকতার জায়গা নেই এর একাত্বতাজানিয়ে।ঐতিহ্য ও কৃষ্টির এই দেশে, থাকি সবাই মিলে মিশে স্লোগান নিয়ে আবারও রাজপথে নামলেন শিল্পী-কলাকুশলীরা। এবার তারা কথা বললেন, প্রতিবাদ জানালেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের বিষয়ে।

ঐতিহ্য ও কৃষ্টির এই দেশে, থাকি সবাই মিলে মিশে’ স্লোগান নিয়ে আজ শনিবার সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে  সমবেত হন শিল্পী ও কলাকুশলীরা। টেলিভিশনের ১৫টি সংগঠনের মোর্চা ‘ফেডারেশন অব টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশন’ (এফটিপিও)-এর নেতৃত্ব দেয়। অন্তর্ভুক্ত সংগঠন ছাড়াও এতে সামিল হয়ে সংহতি প্রকাশ করে সংগীত মোর্চা ‘সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ’, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, পথ নাটক পরিষদ, আবৃত্তি পরিষদ, নৃত্য শিল্পী সংস্থা, নৃত্যাঞ্চল, বাচসাসসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন।

সূচনা বক্তব্যে ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি সালাহউদ্দিন লাভলু বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব সাধারণ মানুষকে সচেতন করা। যেটা আমরা ক্যামেরার সামনে বা পেছনে করি। আমরা সে কাজটি এবারও করছি। তবে রাজপথে নেমে। কিছু সাম্প্রদায়িক মানুষ আমাদের পথে নামতে বাধ্য করেছে। আমরা তাদের বলতে চাই, এদেশে উগ্রবাদীর জায়গা নেই, সাম্প্রদায়িকতার জায়গা নেই।

এফটিপিওর চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ। তার বক্তব্য বলেন, বেশ কিছুদিন হলো এদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হয়েছে। আমরা সেই ষড়যন্ত্রকারীকে নির্মূল করতে চাই। বাংলাদেশে তৃণমূলে যে ওয়াজ মাহফিল শুরু হয়েছে সেখানে শিল্পীদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়া হয়। যা অযৌক্তিক। তার বিরুদ্ধে শিল্পীরা দাঁড়ায়নি। এটা আরও আগেই দাঁড়ানোর দরকার ছিল।

সমাবেশে বেশ কিছু সংগঠন সংহতি প্রকাশ করে। তার মধ্যে অন্যতম গীতিকবি সংঘ, মিউজিক কম্পোজারস সোসাইটি, কণ্ঠশিল্পী পরিষদ বাংলাদেশের সম্মিলনে মোর্চা সংগঠন ‘সংগীত ঐক্য বাংলাদেশ।

শিল্পী

সেখানে সংগঠনটির পক্ষে বক্তব্য রাখেন গীতিকবি, সংগীত পরিচালক ও কণ্ঠশিল্পী জয় শাহরিয়ার। তিনি বলেন, ‘আমরা এসেছি সংহতি প্রকাশ করতে। আমরা যখন গান করি, কারও জন্য আলাদা গান করি না। হিন্দু, খৃষ্টান, বৌদ্ধ বা মুসলমানের জন্য নয়, সবার জন্য গান করি। তাই আমরা বাংলাদেশের চার মূল নীতিতে ফিরতে চাই। সম্প্রতি এই হামলায় মারা গেছেন নাট্যকর্মী অধরা প্রিয়ার বাবা। দৃষ্টিপাত নাট্যদলের এ সদস্য সিক্ত চোখে অনুষ্ঠানে হাজির হন। বলেন, ‘এভাবে আমার বাবা চলে যাবে, আমরা কখনও ভাবিনি। স্বাভাবিকভাবে বাবা চলে গেলে, আমার কিছু বলার ছিল না। আমার বাবা একেবারেই অন্য মানুষ। সারাজীবন সম্প্রীতিকে লালন করেছেন। এমনও হয়েছে নিজে হিন্দু হলেও মুসলিম বন্ধুর জানাজায় অংশ নিয়েছেন। আমরা সেভাবেই বড় হয়েছি।

সম্প্রীতি সমাবেশের প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে ছিলেন প্রযোজক-অভিনেতা ইরেশ যাকের এবং সদস্য সচিব সঞ্চালক-নির্মাতা আনজাম মাসুদ। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন- পীযুষ বন্দোপাধ্যায়, তারিক আনাম খান, নিমা রহমান, গাজী রাকায়েত, ইরেশ যাকের, আহসান হাবিব নাসিম, চয়নিকা চৌধুরী, তারিন জাহান, সুমন আনোয়ার, মীর সাব্বির, মাসুম রেজা, শমী কায়সার, রাশেদ মামুন অপু, শিবলী মোহম্মদ, নাদিয়া আহমেদ, শিহাব শাহীন, হারুন অর রশিদ, শাহেদ আলী, দীপা খন্দকার, আজাদ আবুল কালাম, জয়শ্রীকর জয়া, সাব্বির, সন্দীপন, শুভ, পুলক, সমরজিৎ রায়, সাকী আহমেদ, রবিউল ইসলাম জীবনসহ অনেকে।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button