
লালমনিরহাটের তিস্তা নদীর পানি আরও কমেছে। তবে এখনও ডুবে আছে তিন জেলার চরাঞ্চল ও ফসলের মাঠ।
সকালে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৫৮ সেন্টিমিটার নিজ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আকস্মিক বন্যায় ফসল ও ঘরবাড়ির ক্ষতি হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তিস্তাপাড়ের হাজার হাজার কৃষক। আলু,আগাম ভুট্টাসহ বিভিন্ন শাক সবজীর ক্ষেত এখন পানির নিচে। ভেসে গেছে প্রায় শতাধিক পুকুরের মাছ। ভেঙ্গে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
পানির কারনে হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাত থেকে হাতীবানাধা হাটখোলা যাওয়ার পাকা সড়কটির ৪টি স্থানে ভেঙ্গে যায়। ভেঙ্গে যায় গড্ডিমারী্ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে খানের বাজার যাওয়ার পাকা সড়কটি। ধসে গেছে ভেরসি বাধ। এতে করে ভেঙ্গে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। ফলে লালমনিরহাটের সাথে নীলফামারী ও রংপুরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
বাংলাটিভি/শহীদ



