
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইয়ুমের মরদেহ দেশে এসেছে। বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে কাতার এয়ার লাইন্সের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়।
বিমানবন্দরে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর আলীসহ বিমানের কর্মকর্তারা তার মরদেহ গ্রহণ করেন।
এসময় বিমানবন্দরে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান, বিমানের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল, বিমানের পরিচালক জিয়াউদ্দিন আহমেদ, মো. মাহবুব জাহান খান, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ-উল আহসান, বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাইলটস এসোসিয়েশন (বাপা) সভাপতি মাহববুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দোহা থেকে আসা একটি ফ্লাইট দেশে ফেরার পথে ভারতের নাগপুর থেকে ক্যাপ্টেন নওশাদের মরদেহ নিয়ে এসেছে। একই ফ্লাইটে তার দুই বোনও দেশে এসেছেন।
জানা গেছে, দুপুরে বিমানের প্রধান কার্যালয়ে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এর আগে গত ২৭ আগস্ট ওমানের রাজধানী মাস্কাট থেকে ১২৪ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকায় ফেরার পথে ভারতের রায়পুরের আকাশে থাকাকালে হুট করে হার্ট অ্যাটাক করে নিথর হয়ে পড়েন ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম। তখনই ককপিটের কন্ট্রোল নেন সঙ্গে থাকা ফার্স্ট অফিসার মোস্তাকিম। মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি ঘোষণা করে ক্যাপ্টেন নওশাদকে ও যাত্রীদের নিয়ে দ্রুত নাগপুরের ড. বাবা সাহেব আম্বেদকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করেন উড়োজাহাজটি। নাগপুরের একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ আগস্ট মারা যান নওশাদ।



