
বরিশালে শখের বসে কবুতর পালনে স্বাবলম্বী হয়েছেন এক যুবক। এখন প্রতি মাসে তার আয় প্রায় দেড় লাখ টাকা। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে কবুতরের ফার্ম আরো বড় পরিসরে করা গেলে, বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে মনে করেন তিনি। অন্যদিকে নরসিংদীতে দিনদিন বাড়ছে কোয়েল পাখির খামার।ফলে,দেশে একদিকে ডিম ও মাংসের চাহিদা পুরণ হচ্ছে,অপরদিকে কমছে,বেকারত্ব।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়নের আবুল হোসেন। চতুর্থ শ্রেনীতে পড়ার সময় শখের বসে মাত্র দুই জোড়া কবুতর পোষা শুরু করেন। পরে কিশোর বয়সে ১০ জোড়া রেচার কবুতর সংগ্রহ করেন। এভাবেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাই ব্লাড লাইনের কবুতর যোগাড় করেন। আজ তার ফার্মে এক হাজার রেচার কবুতর রয়েছে।
কবুতর সংগ্রহ করতে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিন আবুলের ফার্মে ভীড় করেন, পাখি প্রেমীরা। তার ফার্মে গ্রিস,জনসন,বেলজিয়াম,ভ্যানপাড়,নেডারল্যান্ডসহ মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন হাই ব্লাড লাইনের রেচার কবুতর রয়েছে। কবুতর পালন দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখায়, তাদের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানান, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা।

নরসিংদীতে ডিম ও মাংসের চাহিদা পুরনে হাঁস-মুরগীর পাশাপাশি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে কোয়েল পাখি পালন।জেলায় ছোট বড় মিলিয়ে শতাধিক কোয়েলের খামার রয়েছে।এসব খামার থেকে জেলার চাহিদা মিটিয়ে পাখি ও ডিম সরবরাহ হচ্ছে, সারাদশে।পলাশ উপজেলার আব্দুল মজিদ মিয়া প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে শুরু করেন,কোয়েল পালন। এখন তার ৫টি খামার।পাখি ও ডিম বিক্রি করে প্রতিমাসে আয় করছেন,লক্ষাধিক টাকা।
বাংলাটিভি/ এস



