
পদ্মা নদীতে অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধির ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ। কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চলের ১৫টি গ্রাম ও চিলমারী ইউনিয়নের ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
ঘর-বাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় মানবেতর জীবন-যাপন করছে তারা। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানিসহ নানা সংকটে রয়েছে এসব এলাকার মানুষ।
এ ছাড়া পানি বৃদ্ধির ফলে এ অঞ্চলের আমন ধান, পাটক্ষেত ও মরিচক্ষেতসহ বিভিন্ন ধরনের কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানিয়েছে, হার্ডিঞ্জ ব্রীজ পয়েন্টে আজ শুক্রবার সকাল ৬টায় পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার আট সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এরপর পাঁচ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পায়। আগামী কয়েক দিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, কয়েকদিন ধরে পদ্মা নদীতে অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধির ফলে চরাঞ্চলের দুই ইউনিয়নের প্রায় ৩৫টি গ্রাম এখন বন্যাকবলিত। এসব এলাকার অন্তত ৪০ হাজার মানুষ বর্তমানে পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।
তিনি বলেন, নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য তাদের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়ে আসা হচ্ছে। কোনো মানুষ যেন অনাহারে না থাকে সেজন্য দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। বন্যাকবলিত মানুষদের সাহায্যের জন্য ত্রাণসামগ্রী প্রস্তুত করা হচ্ছে।
বাংলাটিভি/নিহান



