
ঝালকাঠি জেলা সদর হাসপাতালে আলট্রাসনোগ্রাম, ইসিজি ও এক্সরে মেশিনসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, দীর্ঘদিন যাবৎ বিকল হয়ে পড়ে আছে। ফলে, সেখানে চিকিৎসা না পেয়ে কয়েকগুন বেশি টাকা দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতল থেকে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। এতে চরম দূর্ভোগে রয়েছে রোগী ও তার স্বজনরা। তবে, জেলা সিভিল সার্জন জানিয়েছেন,শিগগিরই এসব সমস্যা সমাধান করা হবে।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে প্রতিদিন শতশত রোগী আসেন চিকিৎসা নিতে। এর মধ্যে অধিকাংশই দরিদ্র। তারা এই হাসপাতালে আলট্রাসনোগ্রাম, ইসিজি ও এক্সরে করাতে পারছেন না। অথচ আলট্রাসোনোগ্রামের দুটি অত্যাধুনিক মেশিন রয়েছে হাসপাতালটিতে। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক না থাকার অজুহাতে, প্রথম দুই বছর বন্ধ থাকে এর কার্যক্রম। এরপর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আরও দুবছর যাবত বিকল হয়ে পড়ে আছে।

নানা অজুহাতে বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ থাকছে ডিজিটাল এক্সরে মেশিনটি। এছাড়া যান্ত্রিক ত্রুটির কারন দেখিয়ে ইসিজি মেশিনটিও বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে,ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকদের সাথে হাসপাতালের কিছু কর্মচারীর যোগসাজসেই এমনটি ঘটছে।

সদর হাসপাতালের সেবার মান সন্তোষজনক জানিয়ে জেলা সিভিল সার্জন বলেছেন,শিগগিরই অচল মেশিনগুলো সচল করা হবে।১৯৮২ সালে ৫০ শয্যা নিয়ে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালটির যাত্রা শুরু হয়। ২০০০ সালে তা একশ শয্যায় উন্নীত করা হয়। আর বর্তমানে এ হাসপাতালটিকে আড়াইশ শয্যায় উন্নীত করতে অবকাঠামোর কাজ চলছে।
ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/ এস



