
কোরবানীর ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারীরা। প্রতি বছরের মত এবারও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটা-তাজা করতে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। এবার ভারতীয় গরু না এলে লাভবান হতে পারবেন বলে আশা করছেন খামারিরা। তবে করোনার কারনে বেচাবিক্রি নিয়ে শঙ্কাও রয়েছে তাদের।
চলন বলনে আর খাবার দাবারে আয়েশি ভাব থাকায় নাম রেখেছেন, মানিকগঞ্জের সাহেব। ফ্রিজিয়ান জাতের এ ষাঁড়টিকে, সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ নয়া পাড়া গ্রামের নোমাজ আলী, ৪ বছর ধরে লালন-পালন করে আসছেন। তার দাবী এ ষাড়টির ওজন ৪০ মণ,দাম হাকাচ্ছেন ৩০ লাখ টাকা।
প্রাণী সম্পদ বিভাগ বলছে,সম্পুর্ণ দেশীয় পদ্বতিতে এ ষাঁড়টি লালন পালন করেছেন তারা। প্রতিবছরের মত এবারও, আসন্ন কোরবানীর ঈদে পশুর হাটকে সামনে রেখে, গরু মোটা-তাঁজা করণে ব্যস্ত ভোলার ২ হাজার ৯৭৫ জন খামারী। দেশীয় পদ্ধতির মোটা-তাঁজা করা গরু, কোরবানীর হাটে ক্রেতাদের চাহিদা বেশি হওয়ায়, খামারীরা খৈল,ভূমিসহ কাঁচা ঘাস খাইয়ে প্রস্তুত করছেন। করোনার প্রাদুভাব বেড়ে যাওয়ায় পশুর হাটে গরুর ভালো দাম পাওয়া নিয়ে চিন্তিত খামারীরা।
অবৈধভাবে গরু মোটা-তাঁজা করে হাটে বিক্রি করতে আসা অসাধু খামারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানালেন, ভোলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা।

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা ইউনিয়নের কাজলা গ্রামের মতিউর রহমানের খামারে, প্রাকৃতিক খাবার আর যত্নে বেড়ে উঠছে,দৃষ্টিনন্দন ভাটির রাজা। আড়াই বছর বয়সি ভাটির রাজার ওজন প্রায় এক হাজার কেজি। দৈনিক ১৬ কেজি দানাদার খাবার, সবুজ ঘাস ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার দিতে হয় রাজাকে। ভাটির রাজাকে বিক্রির করতে দাম চাওয়া হচ্ছে ১২ লাখ টাকা।
ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/ এস



