
কোপা আমেরিকা কাপে ইকুয়েডরকে হারিয়ে ৩-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল আর্জেন্টিনা। দলের হয়ে একটি করে গোল করেন রদ্রিগো দে পল, লাওতারো মার্তিনেস ও মেসি। নিজে গোল করার পাশাপাশি অপর দুই গোলেও অবদান রাখেন মেসি।
রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে স্তাদিও অলিম্পিকো পেদ্রো লুদোভিকোতে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে মুখোমুখি হয় দুদল।
আক্রমণাত্মক শুরু করা আর্জেন্টিনা ম্যাচের ১৩তম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। মাঝমাঠ থেকে আরবোলেদার ক্রসে লাওতারো মার্তিনেস বল পেয়ে গোলরক্ষককে ছাপিয়ে ডানপ্রান্ত দিয়ে পোস্টের একেবারে কাছে গিয়ে শট করেন। তবে ইকুয়েডরের এক ডিফেন্ডার হেড করে সেভ করেন।
২১তম মিনিটে লিড নেওয়ার দারুণ এক সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয় আর্জেন্টিনা। ইকুয়েডর ফুটবলারের ভুলে আর্জেন্টাইন তারকা বল পেয়ে শট নিলেও তা পোস্টে বাধা পড়ে।
অবশেষে ৩৯তম মিনিটে এক দলীয় আক্রমণ থেকে গোলের দেখা পায় আলবিসেলেস্তারা। বাঁ প্রান্ত থেকে মেসির ক্রসে জাল ফাঁকা পেয়ে গোল করেন রদ্রিগো দে পল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইকুয়েডরের কর্নার কিক থেকে মার্তিনেস আর্জেন্টিনাকে রক্ষা করেন। আর ৬৫তম মিনিটে তো মারাত্মক এক ক্রস থেকে আত্মঘাতী গোল খেতে বসেছিলেন মেসিরা। ম্যাচে ফিরতে মরিয়া ইকুয়েডর চার মিনিট পর আরও একটি আক্রমণ চালায়।
খেলার শেষদিকে ইকুয়েডর ডিফেন্ডারের মারাত্মক ভুলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয় আর্জেন্টিনার। ৮৪তম গোলরক্ষকের কাছ থেকে বল পেয়ে আনহেল দি মারিয়া পিয়েরো হিনকাপেই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। আলগা বলে মেসির চমৎকার পাসে জাল খুঁজে নেন মার্তিনেস।
নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা সময়ে ১০জনের দলে পরিণত হয় ইকুয়েডর। আনহেল দি মারিয়াকে ফাউল করায় দলটির ডিফেন্ডার পিয়েরো হিনক্যাপিয়েকে রেফারি লাল কার্ড দেখান। সেখান থেকে রেফারি আর্জেন্টিনাকে প্রথমে পেনাল্টির পুরস্কার দিলেও পরে ভিএআর দেখে ফ্রি-কিকের বাঁশি বাজান। তবে মেসির শক্তিশালী শট ইকুয়েডর গোলরক্ষকের পক্ষে সেভ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে ৩-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।
বাংলাটিভি/এস



