শাপলা বেঁচে জীবিকা নির্বাহ সিরাজদীখানের শতাধিক পরিবারের

জাতীয় ফুল শাপলা।এটি দেখতে যেমন সুন্দর,তেমনি তরকারী হিসেবে এটি খেতেও সুস্বাদু অভাবগ্রস্ত গরীব পরিবারের লোকজন বর্ষা মৌসুমে বিলের শাপলা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে।
মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদীখান উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শতাধিক পরিবার বর্ষাকালে শাপলা বিক্রি করে থাকে। বর্ষার এই মৌসুমে কৃষি জমি পানির নীচে থাকায় কৃষকের তেমন কোন কাজ না থাকায় এ এলাকার অনেক কৃষক বর্তমানে এ পেশায় জড়িয়ে পড়েছে। এ পেশায় কোন পুজির প্রয়োজন না হওয়ায় এলাকার বিভিন্ন বয়সের লোক বর্ষাকালের এ পেশায় অংশ নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে।

এলাকার শাপলা সংগ্রহকারীরা ভোর বেলা থেকে নৌকা নিয়ে ডুবে যাওয়া জমিতে ও বিলের মধ্যে ঘুরে ঘুরে শাপলা সংগ্রহ করতে শুরু করে দুপুর নাগাদ ফিরে আসে,
একেক জন কমপক্ষে ৩০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০ মোঠা (৬০পিছ শাপলায় ১ মোঠা ধরা হয়) সংগ্রহ করতে পারে। সিরাজদীখানের রশুনিয়া, ইমামগঞ্জ ও তালতলায় শাপলার পাইকারী ক্রয় কেন্দ্র পাইকাররা শাপলা সংগ্রহ করে ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন শহরে বিক্রি করে থাকে পাইকাররা জানায় শাপলা সংগ্রহকারীদের কাছ থেকে প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার মোঠা শাপলা ক্রয় করা যায়। সংগ্রহকারীদের কাছ থেকে এক মোঠা শাপলা ২০ টাকা দরে ক্রয় করে। শহরে ৩৫ থেকে ৩৭ টাকা মোটা দরে বিক্রি করা হয়।
শাপলা তরকারী ও ভাজি হিসাবে খুবই মজাদার একটি খাদ্য। বিনা পুঁজিতে ব্যবসা করতে পারায় গত কয়েক বছর যাবৎ এ ব্যবসাটি এলাকায় বেশ প্রসার লাভ করেছে।এ থেকে উপার্জিত অর্থ দিয়ে এখন অনেকেরই সংসার চলছে।
বাংলাটিভি/ দেশবাংলা/ এস



