
ঝিনাইদহের আম চাষিদের দুর্দিন যেন কোন ভাবেই পিছু ছাড়ছেনা।গতবছর আম্পানের তান্ডব আর করোনার ভয়াল থাবায় নিঃস্ব হতে চলেছে, কয়েক হাজার আম চাষী।ক্রেতা ও যানবাহনের অভাবে বাগানেই আম পচে নষ্ট হচ্ছে।প্রশাসনের সহযোগিতার অভাবে আম বাজারে তুলতে পারছেন না বলে অভিযোগ চাষিদের।ফলে ব্যাংক ও এনজিও থেকে নেয়া ঋণ পরিশোধের চিন্তায় দিশেহারা তারা।
ঝিনাইদহের গান্না ইউনিয়নের আম চাষী আশিরুদ্দিন।ব্যাংক ঋণ নিয়ে ৫ বিঘা জমিতে আম চাষ করেছিলেন।ফলনও হয়েছে ভালো ।কিন্তু করোনাকালীন সময় পরিবহন ও ব্যাপারী না আসায়,আম বিক্রি করতে না পেরে, বড় ধরনের লোকসানের আশংকায় দিন পার করছেন তিনি।
তার মতো হাজারো চাষীর চোখেমুখে চিন্তার ভাঁজ।একদিকে,ব্যাপারী বা ক্রেতার অভাবে গাছেই পচে যাচ্ছে আম ।অন্যদিকে দাম সর্বনিম্নে এসে ঠেকেছে।পাশাপাশি একটি কোল্ড ষ্টোরেজের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে রয়েছেন চাষীরা।সম্প্রতি আম পরিবহন ও বিপননে সুযোগ-সুবিধা চেয়ে মানববন্ধনও করেন তারা।
করোনায় বিধিনিষেধসহ, পরিবহন সঙ্কটে বাইরে থেকে আসতে পারছেন না ব্যাপারিরা। তাই আম পরিবহন সহজতর করতে, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান,কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ পরিচালক।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে,ঝিনাইদহে ২০ হাজার চাষীর প্রায় ৬ হাজার ৯৩৭টি ছোট-বড় বাগান রয়েছে।এবছর ২ হাজার ২১১ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্/বাংলা টিভি/এস



