
১৯২১ সালের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল। চলমান করোনা মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনায় দিবসটি উপলক্ষে ক্যাম্পাসে সশরীরে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি। তবে অনলাইনে প্রতীকী কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়।
বিশ্ব মানচিত্রে এশিয়া অঞ্চলের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠের নাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। যার সোনালি ইতিহাসের ছায়া পড়ছে বাঙালি জাতির মুক্তির ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে। দেশের শিক্ষা, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের বাতিঘর, মুক্তবুদ্ধি চর্চার প্রাণকেন্দ্র এবং গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধের লালনক্ষেত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আজ অতিক্রম করছে তার স্বর্ণালি ইতিহাসের শততম বর্ষ।
নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন প্রাঙ্গণে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, জাতীয় পতাকা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন উড্ডয়নের মাধ্যমে দিবসটির প্রতীকী কর্মসূচি শুরু হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রতীকী কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, প্রক্টর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং সীমিত সংখ্যক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান শতবর্ষ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা কর্মচারী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শুভানুধ্যায়ীসহ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বাংলাটিভি/এস



