
করোনায় কুষ্টিয়ার লালন আখড়াবাড়িতে নেই আগের মত দর্শর্নাথীদের ভীড়। অতি কষ্টে সৃষ্ট অপার্থিব সম্পদ গান করে পর্যবেক্ষকদের বিনোদনের মাধ্যমে তাদের দেয়া সামান্য সন্মানী বন্ধ থাকায় শিল্পীদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। আখড়াবাড়ি বন্ধ থাকায় একদিকে যেমন ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে অন্যদিকে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থ শিল্পীরা। দুর্যোগের এই ক্রান্তিকালে বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান তারা।
বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ তার ভক্তদের জানিয়েছেন, মানব জীবনের কষ্টের কথা। লালন সাঁইজির অহিংস মানবতার ব্রত নিয়ে মানুষ মুক্তির জন্য সৃষ্টি করে গেছেন অসংখ্য মর্মবাণী। আর সাঁইজির বাণীই পারে আজকের এ সঙ্কট কাটাতে এমনটি মনে করেন কুষ্টিয়ার লালন একাডেমির করোনাকালীন সময়ের অসহায় শিল্পীরা।
করোনার আগ্রাসনে লালন আখড়াবাড়িতে নেই কোন দর্শনার্থী, সেই সাথে দূরের ভক্ত বাউল অনুসারী। কিন্ত বসে আছে মাজার ঘিরে লালন একাডেমির শিল্পীরা। করোনার এ মহামারিতে একাডেমির প্রধান ফটক তালাবদ্ধ থাকায়, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা যেমন ক্ষতিগ্রস্থ, অন্যদিকে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে এখন এই শিল্পীদের।
ক্ষতিগ্রস্থ শিল্পীদের বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান লালন একাডেমির কর্মকর্তা।
বাংলাটিভি/ এস



