
করোনার থাবায় ক্ষতিগ্রস্ত ঝালকাঠির শতবর্ষী আটঘরের নৌকার হাট। জল আর স্থলের মাইলখানেক জায়গাজুড়ে বর্ষা এলেই যেখানে নৌকার সমারোহ ঘটে, সেখানে গত বছররের মতো এবারো নেই ক্রেতার সমাগম। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন নৌকার কারিগর, ফড়িয়াসহ এই পেশায় জড়িত বহু মানুষ। নৌকা শিল্পের ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা নেছারাবাদ উপজেলার কুড়িয়ানা ইউনিয়নের আটঘর গ্রামে শতবছর ধরে বসে আসছে নৌকার হাট। পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ,কাউখালি এবং নাজিরপুর উপজেলা ছাড়াও ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভারমচন্দ্রপুর, কীর্তিপাশা আর বাউকাঠি ইউনিয়নের অন্তত দশ গ্রামের বহু পরিবার নৌকা তৈরি করছেন।
প্রতিবছরের মতো এবারও হাটে নৌকা উঠেছে ঠিকই, কিন্তু তেমন ক্রেতা নেই। শতশত নৌকার পসরা বসলেও করোনাকালে বিক্রি হচ্ছে না খুব একটা। এ অবস্থায় চরম হতাশায় নৌকা শিল্প ও বিক্রির সাথে জড়িতরা।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন,ক্ষতিগ্রস্থ নৌকার কারিগরদের সাধ্যমত সহযোগিতা করা হবে।
বাংলাটিভি/ এস



