
এলাকাভিত্তিক লকডাউন দিয়েও কমানো যাচ্ছে না করোনা সংক্রমণ। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে চলাচল করছেন অনেকে। সীমান্তবর্তী বিভিন্ন জেলায় বাড়ছে নতুন রোগি ও মৃত্যুর সংখ্যা। গত কয়েকদিন ধরে সবচেয়ে বেশী করোনা আক্রান্তের হার সীমান্ত-সংলগ্ন ১৫ জেলায়। ক্রমেই তা থেকে সংক্রমণ বাড়ছে, নিকটবর্তী অভ্যন্তরীণ জেলাগুলোতেও। নতুন করে বিধি-নিষেধ জোরদার করা হচ্ছে সেসব এলাকায়।
সীমান্তবর্তী বিভিন্ন জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। গত ২৪ ঘন্টায় রাজশাহী মেডিকেলে ১২ জন মারা গেছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেখানকার করোনা ইউনিট ও আইসিইউতে বর্তমানে ৩৪৯ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কুড়িগ্রামে গত ২৪ ঘন্টায় ৮৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত প্রায় দেড় হাজার। জেলা প্রশাসন সুত্র জানায়, সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় কুড়িগ্রাম পৌরসভার ৩টি ওয়ার্ডে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জে নতুন করে আরো ৩৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তের হার ২০ দশমিক ৫০ শতাংশ।
এদিকে, সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমণ না কমায় আগামীকাল থেকে তৃতীয় সপ্তাহের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া লকডাউনের মধ্যে ভারত থেকে বিনা পাসপোর্টে বাংলাদেশে আসার সময় সাতক্ষীরার তলুইগাছা ও কুশখালী সীমান্তে ২ ভারতীয়সহ ১১ জনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড।
খুলনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে, গেল একদিনে ৫৬২ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ এসেছে ২২২ জনের। বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য মতে,গত ২৪ ঘন্টায় খুলনায় ২ জন, সাতক্ষীরায় ১ জন, যশোরে ২ জন, নড়াইল ২ জন ও মেহেরপুরে ১ জন করোনা রোগির মৃত্যু হয়েছে।
সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায়, নোয়াখালী পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়নে চলমান লকডাউন আরও ৭দিন বাড়িয়েছে জেলা প্রশাসন। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ১০১ জনের করোনা শনাক্ত হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এছাড়া করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায়, রেড জোনের আওতায় এনে গোপালগঞ্জ পৌর এলাকা,লতিফপুর ইউনিয়ন, মুকসুদপুর উপজেলা সদর এবং কাশিয়ানী উপজেলা সদর ৭ দিনের বিশেষ লকডাউন শুরু হয়েছে। ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে, তৎপর রয়েছে আইনশৃংখলা বাহিনী।
ডেস্ক রিপার্ট/বাংলা টিভি/এস



