
শেরপুরে বাড়ছে নান্দনিক সূর্যমুখী ফুলের চাষ। কম খরচে লাভজনক হওয়ায় অন্যান্য ফসল ছেড়ে সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হচ্ছেন চাষিরা। পাশাপাশি মনমুগ্ধকর এই ফুল দেখতে ভিড় করছেন সৌন্দর্য প্রেমীরা। সরকারের সার্বিক সহযোগিতা পেলে এ ফুল চাষে ব্যাপক সম্প্রসারণ সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। শেরপুর প্রতিনিধির তথ্য-চিত্রে আরও জানাবেন সালাহউদ্দিন বাদল।
সুন্দর এই ফুল চাষ হয় মৌসুমি ফসল হিসেবে। তাতে অবশ্য ফুলের সৌন্দর্যের কমতি হয় না। সূর্যমুখী আর কৃষকের হাসি এ দুয়ে মিলে একাকার। আর ফুলে ফুলে মৌমাছির ওড়াউড়িতো আছেই।
অন্য ফসলের চেয়ে কম খরচ আর অধিক লাভ হওয়ায়, আগামীতে এই ফুল চাষের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, স্থানীয় চাষীরা। তারা বলেন, সূর্যমুখীর বীজে ভোজ্য তেল এবং গাছ থেকে জ্বালানির চাহিদা মেটাবে।
এদিকে, সূর্যমুখী ফুল ফুটতে শুরু করায়,এর অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে জেলার বিভিন্নস্থান থেকে ছুটে আসছেন, দর্শনার্থীরা। সরকারিভাবে সূর্যমুখী বীজ কিনলে, কৃষকরা আরও লাভবান হবে বলে মনে করেন, স্থানীয়রা।
জেলায় সূর্যমুখী ফুলের চাষ একেবারেই নতুন। এর আবাদ বাড়াতে প্রণোদনা ও পুনর্বাসনের আওতায় বিনামূল্যে বীজ ও সার দেয়া হচ্ছে। সূর্যমুখীর বীজ বিক্রি করতে, পাইকারী বীজ ক্রেতাদের সাথে কৃষকদের সমন্বয় করে দেয়ার কথা জানালেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা।
দেশের ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে, সরকারের কৃষি বিভাগের প্রণোদনার আওতায়, জেলার ৫ উপজেলায়, ১৫৪ হেক্টর জমিতে রোপন করা হয়েছে হাজার হাজার সূর্যমুখী ফুলের বীজ।
ডেস্ক রিপোর্ট/ বাংলা টিভি/ এস



