
আগামী ১০ বছরের মধ্যেই শেষ হচ্ছে দেশে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কাজ। বর্তমানে ২৮টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের কাজ চলছে। এরই মধ্যে ৮টি অঞ্চলের বেশ ক’টি ইউনিট উৎপাদনও শুরু করেছে। এ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো ঘিরে বাড়তি ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়ের আশা করছেন, সংশ্লিষ্টরা। আর এতে প্রায় এক কোটি মানুষের নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
বঙ্গবন্ধুর সব ভাবনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল বাংলা, বাঙালি ও বাংলাদেশের মানুষের মুক্তি। তাঁর উন্নয়ন ভাবনার গভীরেও ছিল বাঙালির আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক মুক্তির দর্শন।
বঙ্গবন্ধুর সেই দর্শনকে ধারণ করে দেশ এগিয়ে নিতে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারই ধারাবাহিকতায়, দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। যার মাধ্যমে আনুমানিক এক কোটি লোকের কর্মসংস্থান হবে। এরইমধ্যে ৯৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সুখবরও দিচ্ছে সরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো। গেল ডিসেম্বর পর্যন্ত এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে দেড় লাখ কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ- বেজার কাছে।
সরকারি খাতের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরী’, যাকে দেশের সর্ববৃহৎ পরিকল্পিত ও আধুনিক শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী জানান, বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে এ বিনিয়োগ আরও বাড়াতে কাজ করছে সরকার। আর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশ এখন বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে- যা বাংলাদেশকে উন্নত দেশের পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে নেবে।
আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি



