
সকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁয়ে এক পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস সফলভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। যে কারণে ৭ মাসে রোগীর সংখ্যা কমে আসছে। দেশের কোভিড-১৯ নির্ধারিত শয্যার ৭০ শতাংশ ফাঁকা পড়ে আছে। জাহিদ মালেক বলেন, ‘সরকারের যথাযথ পদক্ষেপের কারণে করোনা মোকাবিলায় সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ।
অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে মৃত্যুর সংখ্যা কম ছিল। এ কাজে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে স্বাস্থ্যসেবাদানকারী কর্মীরা। এ জন্য তাদের অভিনন্দন জানাই। এসময় করোনার কার্যকর ভ্যাকসিন আবিস্কার হলে তা সংগ্রহের জন্য সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। দুর্যোগ মোকাবেলায় সতর্কতা এবং করোনা টেস্টের আগ্রহ বাড়ানোর আহবান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ বি এম খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এনায়েত হোসেন, স্বাস্থ্যশিক্ষাসচিব মো. আলী নূর প্রমুখ। প্রসঙ্গত, ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরপ ৯টি ক্যাটাগরিতে ৫১ জন বা প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
বাংলাটিভি/শহীদ



