
করোনার কারণে এ বছর আর হচ্ছে না দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের ২০২২ বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ এশিয়ান কাপ ফুটবল বাছাইয়ের ম্যাচ। তাতে প্রস্তুতির অনেক বড় সুযোগ পেলো বাংলাদেশ দল। জাতীয় দলের সাবেকদের মতে, বৈশ্বিক মহামারি অবস্থায়ও খেলোয়াড়দের বসিয়ে না রেখে, সিডিউল অনুয়ায়ী অনুশীলন করানো উচিত। বিশেষ করে লিগ যেন দ্রুত চালু হয়।
লম্বা বিরতি কাটিয়ে মাঠে ফিরছে ফুটবল। করোনার কারণে স্থম্ভিত হওয়া সব ম্যাচের স্থগিতাদের শেষে যখন নতুন ফিকশ্চার ঘোষণা করে ফিফা-এএফসি, তখন ফুটবলারদের চেয়ে বেশি খুশি আর কে-বা হতে পারে। এরইমধ্যে বাফুফে আয়োজন করে গাজীপুরে আবাসিক ক্যাম্প।
কিন্তু তাতেও বাধা, ধরা পড়ে সাতজনের করোনা। এরপর আন্তর্জাতিক অভিভাবক সংস্থা থেকে নতুন করে জানানো হয়, প্যানডামিকের কারণে বাছাইপর্বের এবছরের সবগুলো ম্যাচ হবে ২০২১ সালে। তাতে অবশ্য জামাল ভূঁইয়াদেরই সুবিধা দেখছেন সাবেক ফুটবলাররা।
নতুন মৌসুম শুরু নিয়ে জোর প্রস্তুতি বাফুফের। সাবেকদেরও পরামর্শ, কালক্ষেপণ না করার। বিশ্বকাপ বাছাইয়ের জন্য যে ৩৬ সদস্যের দল আহ্বান করা হয়েছে, তাতে চার নতুন মুখের মধ্যে একজন ফিনল্যান্ড প্রবাসী তারিক রায়হান কাজী। হাতে যেহেতু সময় আছে, তাই বিদেশ প্রবাসী যারা দেশের জার্সি পরে খেলতে চায়, তাদেরকেও সুযোগ দেয়া যেতে পারে বলে মনে করেছেন সাবেক ফুটবলাররা।
এছাড়া মূল বাছাই ম্যাচ খেলার আগে কয়েকটি ভালো দলের সাথে, আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলার পরামর্শ তাদের।
মোহাম্মদ হাসিব, বাংলা টিভি



