করোনাকালে দেড় কোটিরও বেশি মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে

করোনার প্রাদুর্ভাবে দেশে নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে এসেছে ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ। আর যদি আয়ে ক্ষতির সর্বোচ্চ সীমা ধরা হয় সেক্ষেত্রে দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা নতুন করে বাড়বে ৩ কোটি ৫৪ লাখ। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণায় এমন তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
করোনা বিষয়ে এক ভার্চুয়াল সংলাপের আয়োজন করে বিআইডিএস। এতে বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক বিনায়ক সেন বলেন, গত লকডাউনে দেশে ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে এসেছে। সাধারণ মানুষের আয় কমে যাওয়ার মধ্যমমান হিসাবে এই সংখ্যা পাওয়া গেছে।
২০১০ থেকে ২০১৬ মেয়াদে এসব এলাকায় দরিদ্র মানুষ বেড়েছে। করোনায় সরকার দরিদ্র মানুষের জন্য যে সহায়তা ঘোষণা করেছে সেটি দারিদ্র্যসীমার কাছাকাছি যারা আছে তাদের জন্য। কিন্তু যারা আগে থেকেই দারিদ্র্যসীমার নিচে রয়েছে তারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এ সময়ে।
কোভিড-১৯ না থাকলে বাংলাদেশ ২০৩০ সালের আগেই দারিদ্র্য বিমোচন করতে সক্ষম হতো। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে দারিদ্র্য নির্মূল করতে হলে আগামী ১ দশক গড়ে ৮ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে।
গবেষক নাহিয়ান আজাদ টুসি অনলাইন জরিপের তথ্য উল্লেখ করে জানান, ৫৮ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, লকডাউনে তাদের আয় কমে গেছে। নিম্ন আয়ের মানুষের আয় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিম্ন আয়ের ১৯ শতাংশ জানিয়েছেন, তাদের আয় ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।



