
সদ্য শেষ হওয়া ফেডারেশন কাপের বাড়তি আলো দেশি কোনো ফুটবলার কেড়ে নিতে পারেননি। সর্বোচ্চ চারটি গোল করে সেরা হয়েছেন পুলিশ এফসির সিডনি রিভেরার। নাবীব নেওয়াজ জীবনের দুই গোল ছাড়া, জাতীয় দলের আর কোনো স্ট্রাইকার গোলের দেখা পাননি।
মাত্র ৩১ ভাগ গোল করেছেন দেশি ফুটবলাররা। খেলোয়াড়দের মাঝে পেশাদারিত্বের কোনো ছাপ না থাকার ফলাফলই হচ্ছে, ঘরোয়া টুর্নামেন্টে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের এমন হতশ্রী পারফম্যান্স-বলছেন সাবেক ফুটবলাররা।
দেশের ঘরোয়া ফুটবলে সপ্তম চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ফেডারেশন কাপের রোল অফ অনারে নাম তুলেছে বসুন্ধরা কিংস। অথচ জাতীয় দলের ৯ জন খেলোয়াড় নিয়ে দল সাজালেও, দ্যুতি ছড়াতে পারেন নি কোনো দেশি ফুটবলাররা। ড্যানিয়েল কলিন্দ্রেস, সিডনি রিভেরা, নিকোলাস দেলমন্তেরা যেখানে কেড়ে নিয়েছেন টুর্নামেন্টের আলো।
এবারের আসরের ২২ ম্যাচে গোল হয়েছে ৫১টি। প্রতি ম্যাচে গোল গড় ২ দশমিক ৩২। এর পুরোটায় আধিপত্য ছিল বিদেশিদের। মাত্র ১৬টি গোল করেছেন লোকাল-বয়রা।
ঢাকা আবাহনীর স্ট্রাইকার নাবীব নেওয়াজ জীবন দু’টি আর রাকিব হোসেন করেন একটি গোল। খালি হাতে টুর্নামেন্ট শেষ করেন স্ট্রাইকাররা সাদ উদ্দীন, মাহবুবুর রহমান সুফিল, তৌহিদুর রহমান সবুজ, মতিন মিয়ারা। ৩৫ গোল বিদেশিদের যার শীর্ষ তিন স্কোরার ভিনদেশি।
বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ কিংবা বিশ্বকাপ বাছাই ম্যাচের আগে, ঘরোয়া আসরে জাতীয় দলে অবয়বে থাকা খেলোয়াড়দের পারফম্যান্সে হতবাক ফুটবল বিশ্লেষকরা। তবে সেমিফাইনালের আগেই বিদায় নিতে হয়েছে ঢাকা আবাহনী, সাইফ স্পোর্টিং, শেখ রাসেল, শেখ জামাল, চট্টগ্রাম আবাহনীর মতো জায়ান্টদের।
দল হিসেবে আলো ছড়িয়েছে রহমতগঞ্জ, পুনর্জাগরণের বার্তা দিয়েছে মোহামেডান। যা দেশের ক্লাব ফুটবলের জন্য নতুনত্ব বলে, মনে করছেন সাবেক ফুটবলাররা।
মোহাম্মদ হাসিব, বাংলা টিভি



