
ফুটবল অঙ্গনে সাফল্য পেতে, জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের মানসিক শক্তি বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে মনে করেন, প্রিভেন্টিভ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী। তার সঙ্গে একমত প্রকাশ করছেন দেশের সাবেক ফুটবলার এবং ক্লাব ফুটবলের বিদেশী কোচরাও। দলের কোচিং স্টাফে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগেরও তাগিদ দিয়েছেন তারা।
২০১৬ সালের কথা। ভুটানের কাছে হেরে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে তিন বছরের জন্য নির্বাসিত হতে হয় বাংলাদেশ ফুটবল দলকে। তাতেও দৃশ্যত কোনো পরিবর্তন হয় নি খেলোয়াড়দের মানসিকতার। সাম্প্রতিক সময়ে যার শেষটা দেখা যায় এসএ গেমসে।
যার ফলাফলে, চার ম্যাচে এক জয়ে ব্রোঞ্জ পদকেই সন্তুস্ট থাকতে হয়ে টিম বাংলাদেশকে। এ হারের কারণ হিসেবে খেলোয়াড়দের মানসিক দূর্বলতাকেই দায়ী করছেন সাবেক ফুটবলাররা।
২০১৮ সাল থেকে জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পালন করে আসছেন সাবেক ইংলিশ ফুটবলার জেমি ডে। অনেকে তার ম্যাচ ফরমেশন নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, দেশের ক্লাব ফুটবলের কোচ শন লেনের মতে, জেমির পরিকল্পনা ঠিক আছে, কাজ করতে হবে বাফুফে-কে।
এসএ গেমসে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ জিতলে, বাংলাদেশ দলকে ৪০ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কারের ঘোষণা করে বাফুফে। এই প্রণোদনাকে নিয়মিত করার পক্ষে মত দিয়েছেন প্রিভেন্টিভ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী। তাছাড়া, বাফুফের কর্তাদের চেয়ে, ফুটবলারদেরকে বেশি প্রাধান্য দেয়ার ওপরও জোর দেন তিনি।
জীবন-সাদ-মতিন মিয়াদের দক্ষতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। শুধু দরকার তাদের মানসিক শক্তি বাড়ানোর। আর তা করতে, বাফুফেকেই উদ্যমী হতে হবে বলেও মনে করেন এই বিশেষজ্ঞরা।
মোহাম্মদ হাসিব, বাংলা টিভি



