
পারলো না বাংলাদেশ। শক্তিশালী ওমানের বিপক্ষে প্রাণপণ লড়াই করেও, শেষ পর্যন্ত হারতে হলো ৪-১ গোল ব্যবধানে। ফলে চার ম্যাচ শেষে জামাল ভূঁইয়াদের পয়েন্ট দাড়ালো মাত্র এক। আর ৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়স্থান পোক্ত করলো স্বাগতিকরা।
ম্যাচের দশ মিনিট, ডি বক্সের বাইরে থেকে জামাল ভূঁইয়ার শট, বাধা হয়ে দাড়ান ওমানের গোলরক্ষক। সুলতান কাবুস কমপ্লেক্সে ম্যাচের প্রথমার্ধে বাংলাদেশের সাফল্য বলতেই এটুকুই।
এরপরের পুরোটা সময় গোলরক্ষক আশরাফুল রানাকে পার করতে হয় কঠিন পরীক্ষা। পুরোটা সময়ধরে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করা স্বাগতিকদের মুহুড় মুহুড় আক্রমণকে একাই প্রতিহত করেন, গেলো বিপিএলে সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার পাওয়া রানা। স্বাগতিক দশকদের হতাশ প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্যভাবে।
বিরতির পর যেন পেয়ে বসে সফরকারীদের। জেমি ডে শিষ্যদের রক্ষনের ভুলে, এগিয়ে যায় ওমান। গোল করেন মহসিন আল খালিদ।
গোল হজম করে পাল্টা আক্রমণে যায়, জীবন-রায়হানরা। ৫৯ মিনিটে জীবনের শট জালের দেখা পেলে, হয়তো অন্যরকম হতে পারতো ম্যাচের ফলাফল।
বাংলাদেশের সব প্রচেষ্টায় জল ঢেলে, ৬৮ মিনিটে লাল-সবুজ জাসিধারীদের হ্রদয় ভাজ্ঞেন আল-মানধার। ১১ মিনিট পরে জামালদের ম্যাচে ফেরার সমস্ত পথ বন্ধ করে দিয়ে, ব্যবধান ৩-০ করেন আরশাদ সাঈদ।
৮১ মিনিটে বিপুলের গোলে আনন্দে মাতেন মাঠে আসা প্রায় ৮ হাজার দশক। কিন্তু উৎসবের মাত্রা মোটেও স্থায়ী হলো না। শেষ বাশি বাজার আগে বাংলাদেশের জালে আরেকটি গোল করেন আল হিদি। বিশকাপ এবং এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের বছরের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটি হার দিয়েই শেষ করলো বাংলাদেশ।
আগামী বছরের ২৬ মার্চ আফগানিস্তানের বিপক্ষে ফিরতি লেগ খেলবে জেমির শিষ্যরা। ওমানের সুলাতান কাবুল কমপ্লেক্স থেকে ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করে বাংলা টিভি।
মোহাম্মদ হাসিব, বাংলা টিভি, ওমান



