
শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে, ক্রীড়াঙ্গণ থেকে ক্যাসিনো নির্মুল করার উদ্দ্যেগ, নি:সন্দেহে সরকার প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু ক্লাবগুলোকে নতুনভাবে সাজাতে সরকারকেই দায়িত্ব নিতে হবে বলে মনে করেন ক্রীড়া সংগঠক শাহাবুদ্দিন শামীম।
ঢাকার পর চট্টগ্রামেও চালানো হয় ক্যাসিনো অভিযান। এরপর থেকে একেবারের বন্ধ হয়ে থাকে চট্টগ্রামে অবস্থিত বেশ কয়েকটি ক্লাব।
একই চিত্র চট্টগ্রাম আবাহনী-মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়া সংঘের মতো অন্যান্য ক্লাবগেুলো। নেই খেলোয়াড় কিংবা ক্লাবকর্তাদের আনাগোনা। যেন চট্টগ্রামের ক্লাবপাড়ায় শ্মশানের নিরবতা।
চট্টগ্রাম জেলার ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক মনে করেন, মেঘের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ক্লাবগুলোকে আলোর পথ দেখাতে হবে সরকারকেই। ক্রীড়মন্ত্রণালয় থেকে ক্লাব পরিচালনার নীতিমালাগুলো নতুন করে সাজানো এবং তা কঠোরভাবে ব্যবহারের দাবি জানান তিনি।
গত ২২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর চারটি ক্লাবে অভিযান চালিয়ে, ক্যাসিনোর সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়, আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ, দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাব, ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে এ অভিযান চালানোর পাশাপাশি অভিযান চালানো হয় চট্টগ্রামের কয়েকটি ক্লাবেও।
মোহাম্মদ হাসিব, বাংলা টিভি



