
বাংলাদেশের চলমান মানবপাচার পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ইউএসঅ্যাইড এর তহবিল কমিয়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির উপ প্রশাসক বনি গ্লিক। আর রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে মন্তব্য করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিস ওয়েলস।
বৃহষ্পতিবার কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যম্প পরিদর্শনকালে তারা এসব কথা বলেন। এসময় তারা রোহিঙ্গা এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিস ওয়েলস ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ইউএসঅ্যাইডের’র উপ প্রশাসক বনি গ্লিকের তিন দিনের বাংলাদেশ সফরের শেষ দিন বৃহষ্পতিবার কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলারসহ আমেরিকার উচ্চ পর্যায়ের এই প্রতিনিধি দলটি এসময় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মানোন্নয়নে সংস্থাটির পরিচালিত বেশ কয়েকটি প্রকল্প ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শন শেষ বনি গ্লিক বলেন, বর্তমানে মানবপাচারের দিক থেকে বাংলাদেশ ‘দুই নম্বর ধাপের নজরদারিতে’ থাকা দেশের তালিকায় রয়েছে। পরিস্থিতি অবনতি হতে থাকলে ইউএসঅ্যাইডের তহবিল কমিয়ে দেয়া হবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিস ওয়েলস জানান, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে যুক্তরাষ্ট্র সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে আশিয়ানসহ এ অঞ্চলের বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান, এলিস ওয়েলস।
আমিনুল হক, কক্সবাজার প্রতিনিধি



