ফের প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠেছে সেন্টমার্টিন

পর্যটকদের রাত্রিযাপনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার পরপরই ফের প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠেছে, দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। সরকারের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন, সেন্টমার্টিন-টেকনাফ রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী জাহাজ মালিক, পর্যটক, দ্বীপের হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিক ও স্থানীয় অধিবাসীরা।
তবে, পরিবেশ রক্ষা ও পরিচ্ছন্নতার দিকটি মাথায় রাখতে পর্যটকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর আন্ত:মন্ত্রণালয় সভায়, ২০১৯ সালের পয়লা অক্টোবর থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের রাত্রিযাপন করতে না দেয়া এবং ছেঁড়াদিয়ায় পর্যটক প্রবেশ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এছাড়া দৈনিক ৫শ জন পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমনে অনলাইন রেজিষ্ট্রেশন ব্যবস্থাসহ পর্যটকদের ভ্রমণে, বেশকিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
এতে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃস্টি হয় দ্বীপে বিনিয়োগকারী পর্যটন ব্যবসায়ী, স্থানীয় অধিবাসী, ট্যুর অপারেটরসহ পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মাঝে। তারা এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানায়।
অবশেষে পয়লা নভেম্বর থেকে টেকনাফ সেন্টমার্টিন সমুদ্র পথে পর্যটক যাতায়াতে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। সরকারের এ সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে ব্যবসায়ী ও পর্যটকরা।
এবার বিগত বছরের চেয়ে বেশী পর্যটক কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন ভ্রমনে যাবেন, আশা পর্যটন ব্যবসায়ীদের। অন্যদিকে পরিবেশ বিপর্যয় ও জীব বৈচিত্র ক্ষতি হয় এমন আচরণ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানালেন জেলা প্রশাসক।
নিষেধাজ্ঞা না থাকায় সেন্ট মার্টিন ভ্রমনে পর্যটকদের ঢল নেমেছে আবার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ করা হলে, কক্সবাজার ভ্রমনে আগ্রহ হারাবে পর্যটকরা।
আমিনুল হক, কক্সবাজার প্রতিনিধি



