Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
অন্যান্যবাংলাদেশ

জিয়াউর রহমান তার শাসনামলে দেশকে মাদকের অভয়ারণ্য বানিয়েছিলো

 

 জিয়াউর রহমান তার শাসনামলে দেশকে যেভাবে মাদকের অভয়ারণ্য বানিয়েছিলো ও মেধাবী তরুণদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের দিকে ঠেলে দিয়েছিলো, সেখান থেকে সরকার দেশকে মুক্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার  জাতীয় প্রেসক্লাবে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস-২০১৯ উপলক্ষে মাদক ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) আয়োজিত আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন তিনি।

  এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যখন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি, সমগ্র পৃথিবী যখন আমাদের উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রশংসা করছে, তখন বিএনপি ও তার রাজনৈতিক মিত্ররা আমাদের সমালোচনা করছে।

মানসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ড. অরূপকুমার রতনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়য়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. জাফর উদ্দিন ও চিত্রনায়ক ও এমপি আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। উক্ত আলোচনা সভায় আরও অংশগ্রহণ করেছিলো গভ. ল্যাবরেটরি হাই স্কুল এবং ধানমন্ডী গভ. গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ।

সরকারের  সমালোচনা করে বিএনপি হাসির পাত্র হচ্ছে মন্তব্য করে ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘গতকাল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন দেশ নাকি দুর্নীতি, দুঃশাসন ও অপশাসনে নিমজ্জিত হয়েছে। দেশে যদি সুশাসন না থাকতো, তবে দেশ এতদূর এগিয়ে যেতো না।’

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, ‘তামাকের বিরুদ্ধে তরুনদের সচেতন করতে প্রয়োজনে আমরা ওদের কাছে যাবো, ওদের সাথে কথা বলবো। ধূমপানের কুফল ভয়াবহ। ধূমপানের কারণে আমাকেও ওপেন হার্ট সার্জারি করতে হয়েছে। তাই একজন ভূক্তভোগী হিসেবে তামাক বর্জন করতে তরুনদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়য়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. জাফর উদ্দিন বলেন, ‘মাদক, জঙ্গী ও সন্ত্রাস- দেশের এই তিন অভিশাপকে দূর করতে আমাদের মন্ত্রণালয় সবসময় পাশে থাকবে। মানসের সাথে এক হয়ে দেশকে তামাকমুক্ত করতে আমরা কাজ করে যাবো।’

মানসের সভাপতি অধ্যাপক ড. অরূপকুমার রতন বুলেন, ‘তামাক পৃথিবী জুড়েই একটি ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন বিশ্বে আশি হাজার থেকে এক লাখ মানুষ তামাকে আসক্ত হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ধূমপান ও তামাকের কারণে প্রায় আঠারো কোটি মানুষ মারা যাবে। এরমধ্যে উন্নয়নশীল দেশেই এই মৃত্যুসংখ্যা হবে ১৫ কোটি। তাই বাংলাদেশের উচিত এখনই তামাকের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়া ও তামাকের ভয়াবহতা নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button