
শেষ নিদ্রায় শায়িত হলেন বরেণ্য গীতিকার,সুরকার ও মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। বুধবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাধিস্ত করা কিংবদন্তী এ শিল্পীকে।
এর আগে,ভক্ত ও সব শ্রেণির মানুষের শেষ শ্রদ্ধায় সিক্ত হন,বরেণ্য গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীতশিল্পী আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। বুধবার সকালে,কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই মুক্তিযোদ্ধার প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানানো হয়। এ সময়,সর্বস্তরের মানুষও শ্রদ্ধা জানান এই কিংবদন্তীর প্রতি।
মঙ্গলবার ভোরে,রাজধানীর আফতাবনগরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আহমেদ ইমিতিয়াজ বুলবুল।
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রথম জানাজা শেষে তাঁকে এফডিসিতে নেয়া হয়। পরে,সেখানে ২য় জানাজা শেষে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে দেশবরেণ্য এই সঙ্গীত পরিচালককে।
আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল ১৯৭৮ সালে ‘মেঘ বিজলি বাদল’ ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন। অনেক গানের অ্যালবাম তৈরি করেছেন তিনি। ১৯৫৬ সালের পহেলা জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন গুনী এই শিল্পী। সৃষ্টির স্বীকৃতিস্বরুপ একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, রাষ্ট্রপতি পুরস্কারসহ অনেক পুরষ্কার ও সম্মাননায় সম্মানিত হয়েছেন তিনি। ১৯৭১ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
এর আগে বরেণ্য সুরকার, গীতিকার, সংগীত পরিচালক ও মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল-এর মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক জগতের জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর অসামান্য সৃষ্টিকর্মের জন্য চিরদিন মানুষ তকে স্মরণ করবে।’
রাষ্ট্রপতি আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল-এর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এছাড়াও কিংবদন্তী এই সংগীত পরিচালক ও মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল-এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।
বাংলাটিভি/পাইক



