
ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। তিন ম্যাচের সিরিজে ১ ম্যাচ হাতে থাকতেই কিউইরা জিতে নিয়েছে প্রথম দুই ম্যাচেই।
এই ম্যাচেও জয়ের নায়ক আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান মার্টিন গাপটিল। তার ঝড়ো ইনিংসে বাংলাদেশের দেয়া ২২৭ রানের টার্গেটে ৮৩ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় কেন উইলিয়ামসনের দল।
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে রান তাড়ায় নেমে ৪৫ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন হেনরি নিকোলাস এবং মার্টিন গাপটিল। ২৩ বলে ১৪ রান করা নিকোলাসকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মুস্তাফিজুর রহমান। তবে ব্যাট হাতে এক প্রান্তে তান্ডব চালাতে থাকেন মার্টিন গাপটিল। মাত্র ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি আর ৭৬ বলে ১১টি চার এবং ৪টি ছক্কায় তুলে নেন নিজের ক্যারিয়ারের ১৬তম শতক।
গাপটিলকে সঙ্গ দেয়া অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ৬৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। ১১৮ রানের ইনিংস খেলে মুস্তাফিজের দ্বিতীয় শিকার হন গাপটিল। ভাঙে দ্বিতীয় উইকেটে ১৪৩ রানের দুর্দান্ত এক জুটি। কিউইরা তখন জয়ের দোরগোড়ায়। রস টেইলরকে নিয়ে বাকি কাজটুকু সারেন অধিনায়ক উইলিয়ামসন।
এর আগে, ৪৯.৪ ওভারে ২২৬ রানে অল-আউট হয় বাংলাদেশ।
ক্রাইস্টচার্চের হাগলি ওভালে দিনের শুরুতেই ট্রেন্ট বোল্টের বলে ক্যাচ তুলে ১ রানে ফেরেন লিটন। ব্যক্তিগত ৫ রানে ফিরেছেন আরেক ওপেনার তামিম ইকবালও। দুই উইকেট হারালেও আশা যোগাচ্ছিল সৌম্য-মুশফিক জুটি। কিন্তু ৩২ রানের পার্টনারশিপটা ভাঙেন গ্র্যান্ডহোম। সৌম্য ফেরেন ২২ রানে। ব্যাট হাতে নিজের ২০০ নম্বর ম্যাচটা স্বরণীয় করে রাখা হয়নি মুশফিকুর রহীমের। লুকি ফার্গুসনের বলে বোল্ড হয়ে টাইগার লিটল মাস্টারকে ফিরতে হয়েছে ২৪ রানে।
কিউই বোলারদের সামনে টিকতে পারেননি মাহামুদউল্লাহ রিয়াদও। ৭ রানে তাকে ফিরিয়েছেন স্যান্টনারের জায়গায় একাদশে ডাক পাওয়া টড অ্যাশলে। সাব্বিরকে সাথে নিয়ে ৭২ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় খানিকটা সামাল দেন মোহাম্মাদ মিঠুন। সাব্বির ৪৩ আর মিঠুন ফিরেছেন ৫৭ রানে। ২ বল বাকি থাকতেই ২২৬ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা।
১৩ রানে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে গিয়ে মিরাজ বাজে শটে উইকেট বিলিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ১৬ রানে। শেষ দিকে মাশরাফির এক ছক্কা ও মুস্তাফিজের একটি বাউন্ডারিতে খানিকটা বেড়েছে দলের রান।
বাংলাটিভি/রাজ



