Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
বিএনপিআওয়ামী লীগরাজনীতি

প্রবীণ রাজনীতিকরা কারাবন্দি কেন, প্রশ্ন ফজলুর রহমানের

বাংলা টিভি ডেস্ক: দেশের বর্ষীয়ান ও প্রবীণ রাজনীতিকদের শারীরিক অবস্থা ও অবদান বিবেচনায় তাদের কারাবন্দি রাখা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। বিশেষ করে আমির হোসেন আমু, রাশেদ খান মেনন এবং তোফায়েল আহমেদের মতো বয়োবৃদ্ধ নেতাদের ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি মানবিক দিকটি খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নিয়ে ফজলুর রহমান এসব মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমুর বয়স এখন প্রায় ৮৯ বছর। তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং মুজিব বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বে ছিলেন। এমন একজন প্রবীণ মানুষ যদি এই বয়সে অসুস্থ অবস্থায় কারাগারে থাকেন, তবে সেটি মানবিক দিক থেকে অত্যন্ত পীড়াদায়ক এবং আলোচনার দাবি রাখে।’

তোফায়েল আহমেদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালের পর থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তোফায়েল আহমেদ সরকারে কার্যত কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন না; তিনি কেবল একজন সংসদ সদস্য ছিলেন। দলটির অনেক সিনিয়র নেতাকেই বিগত বছরগুলোতে কার্যত পাশে সরিয়ে রাখা হয়েছিল। তোফায়েল আহমেদের মতো একজন শারীরিকভাবে ভীষণ দুর্বল মানুষের নামে এখন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা হওয়া কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।’

ফজলুর রহমান আরও বলেন, ‘রাশেদ খান মেননের মতো একজন মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ বামপন্থী নেতাকে ৮৫-৮৭ বছর বয়সে কেন জেলে থাকতে হবে—এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক রয়েছে। যদি কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট গুরুতর অপরাধের প্রমাণ থাকে, তবে অবশ্যই আইনি প্রক্রিয়ায় বিচার হোক। কিন্তু বিচার শেষ হওয়ার আগেই এই বয়সে তাদের দীর্ঘ সময় কারাবন্দি রাখা মানবিক ও রাজনৈতিক—উভয় দিক থেকেই নেতিবাচক বার্তার জন্ম দেয়।’

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইতিহাসের উদাহরণ টেনে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘পৃথিবীর বহু দেশে স্বাধীনতা সংগ্রাম বা বিপ্লবে অংশ নেওয়া প্রবীণ নেতাদের ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও তাদের বয়স ও ঐতিহাসিক অবদান বিবেচনায় আলাদা মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি দেখানো হয়। আমাদের দেশেও রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও মানবিকতার খাতিরে এই বিষয়গুলো বিবেচনা করা প্রয়োজন।’

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button