
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি নেতা ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা জাশির অত্যাচারের জন্যই আমি দল ছেড়েছি।জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৮০ শতাংশ নেতাকর্মী জামায়াত শিবির থেকে আসা।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ অভিযোগ করেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে তরুণদের রাজনীতির একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিলো। নিজেদের রাজনীতি বাঁচিয়ে রাখতে সেটাকে জামায়াত শিবির গলাটিপে হত্যা করেছে।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদেরকে ট্যাগ করে তিনি বলেন, ‘জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ৯ দফার ঘোষণা দিয়েও ডাকসুর ভিপি হতে পারেনি আব্দুল কাদের। এখানে তার দোষ কতোটুকু? ঝুঁকি নেওয়াটাই বড় দোষ ছিলো বুঝি? সে যাতে ডাকসুর ভিপি হতে না পারে, সেজন্য একযোগে কাজ করেছে জামায়াত-শিবির।’
তিনি বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের পর জাশি প্রোপাগান্ডা, সহানুভূতি ও ওয়েলফেয়ার কার্ড খেলেছে। নতুনদের দল সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে তাদের সাথে পেরে দেয়নি। ঠিক এনসিপিও যাতে দল হিসেবে নিজস্ব শক্তিতে দাঁড়াতে পারেনা, এজন্য শুরু থেকেই এনসিপিতে জামায়াত শিবিরের কর্মী ঢুকিয়ে দেয়।’
এনসিপির ৮০ শতাংশ নেতাকর্মী জামায়াত-শিবিরের উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, ‘এরা কোনদিন জাশির মতামতের বাইরে বিকল্প কিছু করতে দিবে না। এভাবে একটি নতুন সম্ভাবনাকে হত্যা করেছে জাশি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি ঠিক একই কারণে গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা জাশির অত্যাচারের জন্যই দল ছেড়েছি। এরা জামায়াতের সাথে গণঅধিকার পরিষদকে নেওয়ার সমস্ত প্লান করেছিলো। আমি রাজি না হওয়ায়, আমাকে ব্যাপকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত করে। এরা সেসময় নির্বাচনের আগে নুরুল হক নুরকে পর্যন্ত বহিষ্কার করার উদ্যোগ নিয়েছিলো। ভূয়া প্রেসরিলিজও দিয়েছিল।’



