
বাংলা টিভি ডেস্ক: পাকিস্তানের দালাল রাজাকারের নাতি রাশেদ প্রধানের বাড়ির সামনে যে প্রতিবাদ দেখছিলেন সেখানে কিন্তু রাশেদ প্রধানের কর্মীরা পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দিচ্ছিল। অদ্ভুত দেখেন এই স্বাধীন বাংলাদেশে পাকিস্তান স্লোগান দেয় এরা এবং এই রাশেদ প্রধানের বাবা গুমিরুদ্দিন প্রধান তার পরিচয় কি? সে পাকিস্তানের মুসলিম লীগের নেতা ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান।
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালে তার নেতৃত্বে এই মুসলিম লীগ পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। আজকে এমনি এমনি তো জামায়াতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক না। আজকে আমাদের সহযোদ্ধাদের মধ্যে আজগর ভাই এই যে দেখি একটু মাথা তোলেন। আমাদের মুজাহিদ ভাই মুজাহিদ ইব্রাহিম ভাই এবং আমাদের রুমমান ভাই আমাদের সাংগঠনিক সম্পাদক তারাও সেখানে ছিলেন। এটা আমাদের সংগঠনের প্রতিবাদ ছিল না। কিন্তু আমাদের সংগঠনের সহযোদ্ধারা সেই প্রতিবাদে অংশ নিয়েছিলেন সাধারণ নাগরিক হিসেবে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে ‘তারেক আমজনতার দল’ নামের ফেসবুক পেজের এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মো. তারেক রহমান বলেন, সেখানে দেখুন তারা কিন্তু রাশেদ প্রধানের লোকের গায়ে হাত দেয়নি ভালো করে শোনেন কিন্তু রাশেদ প্রধানের যে কর্মী সে বেসিক্যালি অফিস স্টাফ এখানে অফিসে চাকরি করে এবং যুব ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক জনি নামে একটা ছেলে। তো এই ছেলেটা এখানে পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দেয় এই সময় তোয়েব হাবিলদার ভাই সে রাজাকারের নাতি রাশেদ প্রধান এই ঐতিহাসিক সত্যটা তুলে ধরে। ঐতিহাসিক সত্যটা তুলে ধরার পরবর্তীতে এই জনি সেখানে গিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় চিল্লাচিল্লি করে হইচই করে। তখন তার কথার প্রতিবাদ জানায় মুজাহিদ ইব্রাহিম ভাই এবং উনি যখন প্রতিবাদ জানায় তখন দৌড়ে গিয়ে ইট নিয়ে তার মাথায় আঘাত করে।
তিনি বলেন, আমি ছবিটা কমেন্টে দিয়ে দেব অনেকে ভাবলেন যে আবার ব্যান্ডেজ লাগাইছে আমরা আবার মুরগি টুগরি জবাই করে লাগাই দেইনি। দেখেন সাদাই আছে সমস্যা নাই বেশি রক্ত বের হয়নি কিন্তু মাথায় যে আঘাতটা করছে সেই আঘাতটা কতটা ভয়ঙ্কর একবারে সরাসরি পুরা একটা আস্ত ইট দিয়ে আঘাত করতেছে। আমার বন্ধুরা আছে এখানে রুমমান ভাই, মুজাহিদ ভাই কি হয়েছিল বা আপনার কি অবস্থা পরে তো আপনারা মামলা করতে গিয়েছিলেন। আমি শুনছিলাম মামলা নিয়েছে কিনা বা সার্বিকভাবে একটু আমাদেরকে জানান বিষয়টা আসলে প্রতিবাদ ছিল এটা জাগপার রাশেদ প্রধান উনি বাংলাদেশের নবনির্বাচিত জনগণের ভোটের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেবকে নিয়ে বিভিন্ন রকমের কুরুচিপূর্ণ এবং কুলাঙ্গার শব্দ আখ্যা দেয় এবং চার চার বারের প্রধানমন্ত্রী যিনি এশিয়া মহাদেশের প্রথম প্রধান নারী প্রধানমন্ত্রী তাকে তিনি কবর থেকে উঠানোর মতো এরকম কুরুচিপূর্ণ একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে রাজনৈতিক শিষ্টাচার যায় না তো তারই প্রেক্ষিতে আমরা নাগরিক।
বিষয়টা হলো তিনি বেগম জিয়া আমাদের তিনবারের নারী প্রধানমন্ত্রী তাকে কবর থেকে চারবার কবর থেকে তুলে নেয়ার কথা বল বলেছে। তার দৃষ্টতাগুলো দেখেন এত এতটুকু বেয়াদব। বেগম জিয়াকে তার শত্রুরাও কিন্তু সম্মান জানাইছে মৃত্যুর পরে। তার শত্রু চরম শত্রুরাও সম্মান জানাইছে। আর এই রাজাকারের নাতি রাশেদ প্রধান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাত খুনে অভিযুক্ত সে বেগম জিয়াকে কবর থেকে তুলে নিয়ে আসতে চায়। এই রকম দৃষ্টতা এবং বেয়াদবি এবং তার সন্তানকে কুলাঙ্গার বলে বক্তব্য দেয়।
আমাদের আজকে আবার একটা প্রতিবাদ আছে। ১১টার দিকে প্রতিবাদ আছে। আমরা আমরা রাজনীতি বলতে যেটা বুঝি ভাই, ভাই রাজনীতি আমরা অনেকদিন থেকে করি। কখনো কারো কাউকে মা তুলে গালি দেওয়া, বাবা তুলে গালি দেওয়া এসব রাজনীতি আমরা করিনি।
বাংলাদেশে এসব রাজনীতি যারা শুরু করেছে, সেই পাকিস্তানের দোষ্য রাজাকাররা এবং তারা স্পষ্টভাবে বলে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তারা এভাবে বলে যে এইটা ভারতের ষড়যন্ত্র দুই ভাই মিলে মারামারি দিছে তাদের কাছে মুক্তিযোদ্ধা হলো এইরকম একটা বিষয় যে আমাদের মুক্তিযোদ্ধারাই হলো ষড়যন্ত্রকারী।
তো এই রাজাকারের শাবকরা রাজাকারের বাচ্চারা আজকে বাংলাদেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করতেছে এবং নির্বাচিত জনগণের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে যে নোংরা কথাগুলো বলেছে রেগুলার বলতেছে। অথচ এ বিএনপির পার্টি অফিসে গিয়ে একটা মনোনয়নের জন্য বসে থাকতো।
কিন্তু ওই সময় তো চিনতে পারছে যে রাজাকার শাবক রাজাকারের নাতিকে আমাদের বিএনপির বড় ভাইয়েরা চিনতে পারছে যে একটা যে রাজাকারের বাচ্চা এর বাপে যে একটা খুনি মার্ডারার ও তো একটা খুনির সন্তান। রাস্তাঘাটে গেলে বলবেন এই খুনির ছেলে রাশেদ এদিকে আয়। এভাবে ডাকবেন। আমরা বলি না, রাজাকাররে বলি না, রাজাকার গমিরুদ্দিন, রাজাকার নিজামী, রাজাকার গোলাম আজম ওইরকম বলবেন, এই খুনির বাচ্চা রাশেদ প্রধান এভাবে বলবেন আপনারা। কারণ সে তো খুনির ছেলে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ঢাকা স্বাধীন বাংলাদেশে ছাত্ররা লেখাপড়া করতেছে। রাতের বেলা রাতের অন্ধকারে হাতে সিগারেট নিয়ে ছেলেপেলেকে বের করে গুলি করে হত্যা করছে রাশেদ প্রধানের বাবা শফিউল আলম প্রধান। হ্যাঁ, এই ধরনের পরিবার একটা হলো তার দাদা রাজাকার।
হ্যাঁ, ড্রাগ এডিক্টেড ছাড়া এভাবে তো একটা মানুষের ভয় লাগে যে না প্রধানমন্ত্রীর এগুলো বলবো কি রকম কি হয় হ্যাঁ সে বেগম জিয়াকে নিয়ে, শেখ হাসিনা পর্যন্ত শোক জানাইছে এই বাস্টার্ড বলে যে বেগম জিয়াকে কবর থেকে তুলে নিয়ে আসবে। তাহলে এরকম একটা মানুষের কমনসেন্স আছে, মানুষের ভয় লাগে, সামাজিক সম্মানের ভয় লাগে, বিভিন্ন কারণে মানুষ বিভিন্ন বিষয় মেপে যোগে কথা বলে, একটা সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ। এই ড্রাগ এডিক্টেড রাশেদ প্রধান বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য সে উপযুক্ত না।
পুরা সাইকো এবং ওই যে ছেলে পেলেগুলো পালে এই যে জনি নামে যে ছেলেটা এখন থানায় আছে তাকে দেখি আমরা ছাইড়া দেই কিনা? একটু দেখি বেগম জিয়াকে নিয়ে কবর থেকে তুলে নিয়ে আসবে। তাইতো? আমরা দেখি ছেড়ে দেয় কিনা? পাকিস্তান জিন্দাবাদ বাংলাদেশে বলবে এবং জামায়াতের তদবিরের কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়ার একটা সম্ভাবনা আছে।



