
দেশের ছয়টি জেলায় শনিবার দুপুরে কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতে ১২ জন নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে সুনামগঞ্জে—এখানে ৫ জন মারা গেছেন। এছাড়া ময়মনসিংহ ও রংপুরে ২ জন করে, এবং নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জে ১ জন করে নিহত হয়েছেন।
সুনামগঞ্জ
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা, তাহিরপুর, দিরাই ও জামালগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে ধান কাটার সময় ও বিভিন্ন কাজে থাকা অবস্থায় ৫ জন নিহত হন। আহত হন আরও কয়েকজন, যাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
হবিগঞ্জ
নবীগঞ্জ উপজেলায় হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে ৬০ বছর বয়সী কৃষক সুনাম উদ্দিন মারা যান।
ময়মনসিংহ
গৌরীপুর ও গফরগাঁও উপজেলায় বজ্রপাতে ২ জন নিহত হন। তারা একজন ধানখেত দেখতে গিয়ে এবং অন্যজন নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে মারা যান।
কিশোরগঞ্জ
করিমগঞ্জ উপজেলায় হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে একজন কৃষক (৩৫) নিহত হন।
নেত্রকোনা
আটপাড়া উপজেলায় গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে ৬৫ বছর বয়সী এক কৃষক বজ্রপাতে মারা যান।
রংপুর
মিঠাপুকুর উপজেলায় বজ্রপাতে ২ জন নিহত এবং ৮ জন আহত হয়েছেন।
প্রশাসন জানিয়েছে, ঝড়-বজ্রপাতের সময় হাওর ও খোলা জায়গায় কাজ করার কারণে এসব দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং কয়েকটি ঘটনায় প্রশাসনিক সহায়তার প্রক্রিয়া চলছে।



