
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিজেদের দলীয় সম্পৃক্ততার অভিযোগ নাকচ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে কুষ্টিয়া শহরের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দৌলতপুর উপজেলা জামায়াত শাখা এ অবস্থান তুলে ধরে। সেখানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বেলাল উদ্দিন।
তিনি দাবি করেন, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি এবং দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ খাজা আহমেদ-কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই হত্যা মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, খাজা আহমেদ এ ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় একটি মহল ব্যক্তিগতভাবে ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে মামলায় ফাঁসিয়েছে। দলটি এ ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানায় এবং প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানায়।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতারা অভিযোগ করেন, অতীতের মতোই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে, যা জনগণ আর মেনে নেবে না।
প্রসঙ্গত, গত ১১ এপ্রিল দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায় একটি দরবার শরিফে ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে দরবারের প্রধান পীর আব্দুর রহমান নিহত হন। পরে নিহতের ভাই বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন, যেখানে একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।



