Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
দেশবাংলাঅন্যান্যগ্রাম বাংলাবাংলাদেশ

বাউল শিল্পী শফি মন্ডলের বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন

বাংলা টিভি ডেস্ক: কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দরবার শরিফে হামলা ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ এবং দরবারপ্রধান আব্দুর রহমান শামীম ওরফে জাহাঙ্গীরকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার পর দেশের জনপ্রিয় বাউল সংগীত শিল্পী শফি মন্ডলের বাড়িতে পুলিশ পাহারা বসানো হয়েছে।

শফি মন্ডলের বাড়ি দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ এলাকায়। তবে তার মূল বাড়ি নিহত শামীমের বাড়ি তথা ফিলিপ নগর এলাকায়। তিনি বেশ কয়েক বছর আগে উপজেলার হোসেনাবাদ এলাকায় বাড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান। এসময় তিনি জানান, কোনো হুমকি না থাকলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে বাউল শিল্পী শফি মন্ডলের বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানতে চাইলে বাউল শিল্পী শফি মন্ডল বলেন, আমি গত এক মাস গ্রামের বাড়িতে নেই। ঢাকাতে অবস্থান করছি। ওখানে কী হচ্ছে এটা তো আমি বলতে পারব না। আমার মেয়ে গ্রামে আছে, তার সঙ্গে কথা বললে পুরো ব্যাপার জানতে পারব।

এ ব্যাপারে শফি মন্ডলের মেয়ে লিনা মন্ডল বলেন, আমার বাবা সাধক শিল্পী, সংগীতের জন্য মূলত তিনি বিভিন্ন দরবারে যান। ফিলিপ নগর আমাদের বাড়ি, যে কারণে তিনি এই দরবারে গিয়েছিলেন সে সময়ের ছবি ও ভিডিও আছে। যে ভিডিও ভাইরাল করে মব তৈরি করে শামীমকে হত্যা করা হলো, সেই ভিডিওতে আমার বাবাও আছে। আমার বাবা লালন দর্শনের অনুসারী একজন মানুষ।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু আমরা লালন অনুসারী বা লালন দর্শন বিশ্বাস করি। এছাড়া আমার বাবা লালন সাঁইজির বানীর প্রতিনিধিত্ব করেন। এখন এই মতের সঙ্গে তো অন্য ধারনার মানুষের মিল নাও হতে পারে। কিন্তু আমরা আল্লাহ, আল্লাহর রাসুল (সা.) সম্পর্কে ধ্যান করি। আমাদের জীবনাচরণ অবশ্যই ইসলামি তবে আমরা সাঁইয়ের ধারাটাকেই লালন করি। যেহেতু ওই ছবিটা ভাইরাল হয়েছে, যে ছবিতে আমার বাবা আছেন। মব জাস্টিসের সঙ্গে যারা জড়িত, তারা সেটি ভাইরাল করেছে। আমার বাবা একজন দেশ বরেণ্য শিল্পী যার কারণে সরকার মনে করেছেন তার নিরাপত্তা দেয়া দরকার তাই পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে শনিবার দুপুরে দরবারপ্রধান শামীমকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এসময় দরবার শরিফে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। নিহত শামীম ওই দরবার শরিফের প্রধান এবং এলাকায় কালান্দার বাবা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দরবার শরিফে হামলায় তার তিন অনুসারী মহন আলী, জামিরুন নেছা ও জুবায়ের আহত হন।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button