স্থায়ী চুক্তি নাহলে ফের ভয়াবহ যুদ্ধ

বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দৃষ্টি কেন্দ্রীভূত হয়েছে পাকিস্তান-এর দিকে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি এখনো কার্যকর থাকলেও এর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। উভয় দেশই ইতোমধ্যে একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে।
এদিকে লেবানন-এ হেজবুল্লাহ-এর ওপর ইসরায়েল-এর আকস্মিক হামলার পর নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই সংঘাত যুদ্ধবিরতির আওতায় পড়বে কি না, তা নিয়েও মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) ইসলামাবাদ-এ প্রথম দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে মার্কিন প্রতিনিধি দলে রয়েছেন জেডি ভান্স, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জারেড কুশনার।
পাকিস্তানে যাওয়ার আগে জেডি ভান্স জানান, তারা এই আলোচনায় ইতিবাচক ফলাফল আশা করছেন।
অন্যদিকে, ইরানের প্রতিনিধি হিসেবে কে থাকবেন তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ অংশ নিতে পারেন।
জানা গেছে, ট্রাম্প প্রশাসন এই আলোচনার জন্য ১৫ দফা শর্ত প্রস্তুত করেছে, যদিও সেগুলোর বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, লেবাননকে যুদ্ধবিরতির অন্তর্ভুক্ত না করলে কোনো সমঝোতা সম্ভব নয়।
এছাড়া হরমুজ প্রণালি খোলা রাখা নিয়েও উত্তেজনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে, এই বিষয়টি সমাধান না হলে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যেতে পারে।



