
মেয়াদ অনুযায়ী পাঁচ দফায় উপজেলা নির্বাচন করতে যাচ্ছে কমিশন। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ৮ অথবা ৯ই মার্চ। দ্বিতীয় দফায় ১৮, তৃতীয় দফায় ২৪শে মার্চ। ৩১শে মার্চ চতুর্থ দফায় ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। আর পঞ্চম এবং শেষ দফায় ১৭টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
১৪ই জানুয়ারি কমিশনের ৪২তম সভায় পাঁচ ধাপে বিভাগ অনুযায়ী উপজেলা নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। কিন্তু কমিশনারদের মধ্যে ভিন্ন মত থাকায় ৪৩তম কমিশন সভায় সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আসে। অবশেষে মেয়াদ শেষ হচ্ছে এর ভিত্তিতেই ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।
২১শে মার্চের মধ্যে মেয়াদ শেষ হচ্ছে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের আট জেলার ৬৯টি উপজেলার। প্রথম ধাপে এসব উপজেলার নির্বাচন ৮ অথবা ৯ই মার্চ অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১৮ই মার্চ দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচন হবে রাজশাহী, খুনলা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ১৫ জেলার ১২৫টি উপজেলায়।
২৪ মার্চ তৃতীয় ধাপে নির্বাচনের জন্য খুলনা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের ১৭টি জেলার ১১১টি উপজেলাকে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন।
সবচেয়ে বেশি নির্বাচন হবে চতুর্থ দফায়। ৩১শে মার্চ চতুর্থ দফায় নির্বাচন হবে বরিশাল,ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ২৪টি জেলার ১৫৯টি উপজেলার।
আর সবশেষ পঞ্চম দফায় নির্বাচন হবে রোজার ঈদের পর। আর শেষ দফায় নির্বাচনের জন্য ১৭টি উপজেলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান পদশূন্য হয়েছে অথবা পদত্যাগ করেছেন এমন উপজেলা পরিষদগুলোর নির্বাচন প্রথম দফায় ৬৯টি উপজেলার সঙ্গে করার পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে ৩ ফেব্রুয়ারি।



