‘ইরানে এযাবৎকালের বৃহত্তম বো/মা/বর্ষণ হবে আজ রাতে’

ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান অষ্টম দিনে পৌঁছেছে। শনিবার (৭ মার্চ) পর্যন্ত দুই দেশই ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরান সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত এই যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে।
এর মধ্যেই কঠোর বার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে “আমাদের সবচেয়ে বড় বোমাবর্ষণ কর্মসূচি” আজ রাতেই পরিচালিত হবে।
বেসেন্টের দাবি, এই হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলো বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে এসব সামরিক সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করে দিয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ড ইউনাইটেড স্টেটস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, গত সপ্তাহে তেহরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানের তিন হাজারের বেশি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।
শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কমান্ড সেন্টার এবং সামরিক যোগাযোগ কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র আরও দাবি করেছে, অভিযানের সময় ইরানের ৪৩টি জাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে। প্রথম দফার হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ দেশটির অন্তত ৪৯ জন শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন বলেও তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
এর আগে শীর্ষ মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল ড্যান কেইন জানিয়েছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সংখ্যা প্রায় ৮৬ শতাংশ কমে গেছে। পরে মঙ্গলবার এ সংখ্যা আরও ২৩ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে সেন্ট্রাল কমান্ড।



