
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ নির্দেশনার আওতায় সারা দেশে ২৭ হাজার ৯৯৫টি লাইসেন্সধারী অস্ত্র সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দেওয়া হয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ব্যক্তির নামে মোট ৪৮ হাজার ২৮৩টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে। সে হিসেবে এখনো ২০ হাজার ২৮৮টি অস্ত্র জমা পড়েনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অস্ত্র জমা না দিলে অস্ত্র আইন ১৮৭৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে ১৮ জানুয়ারি জারি করা এক নির্দেশনায় ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সব বৈধ অস্ত্র থানায় জমা দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও সেখানে উল্লেখ ছিল। এ লক্ষ্যে দেশের সব পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।
সূত্র জানায়, এখনো জমা না হওয়া অস্ত্রের একটি বড় অংশ আওয়ামী লীগ সরকারের সময় লাইসেন্সপ্রাপ্ত। এসব অস্ত্রের মালিকদের কেউ কেউ বিদেশে অবস্থান করছেন, আবার কেউ কেউ আত্মগোপনে রয়েছেন।
এদিকে মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে থানা থেকে লুট হওয়া ব্যক্তিগত অস্ত্র প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, যে কোনো অস্ত্রই সম্ভাব্য হুমকি। বিভিন্ন উপায়ে দেশে অস্ত্র প্রবেশের ঝুঁকি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।



