Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
আন্তর্জাতিকযুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মাদুরো: জোরপূর্বক অপহরণের অভিযোগ, পরবর্তী শুনানি ১৭ মার্চ

প্রায় আধাঘণ্টার শুনানিতেও যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বেশ কয়েকবার নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন নিকোলাস মাদুরো। অভিযোগ করেন, জোরপূর্বক অপহরণ করা হয়েছে তাকে। সেইসঙ্গে আদালতে নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে দাবি করেন। এদিকে, শুনানির সময় চোখের কোণে ও কপালে ব্যান্ডেজ ছিল মাদুরোর স্ত্রীর। তবে প্রথম দফা শুনানিতে জামিন আবেদন করেনি দুজনের কেউই। পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ মার্চ।

মাত্র এক সপ্তাহ আগেও ভেনেজুয়েলার শাসনভার ছিল নিকোলাস মাদুরোর কাছে। কিন্তু তাকেই ফিল্মি স্টাইলে কারাকাস থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ম্যানহাটনের কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার হাতকড়া পরিয়ে কড়া নিরাপত্তায় স্ত্রীসহ আদালতে তোলা হয় মাদুরো দম্পতিকে। এ সময় তাদের পরনে ছিল বাদামি রঙের পোশাক এবং উজ্জ্বল কমলা রঙের জুতা। ম্যানহাটনের কোর্ট রুমে ৩০ মিনিটের শুনানির প্রতি মুহূর্তের বর্ণনা উঠে এসেছে বিবিসির প্রতিবেদনে।

শুনানি কক্ষে প্রবেশের সময় উপস্থিত সাংবাদিক ও জনসাধারণকে দেখে মাদুরো জানান, অপহরণের শিকার তিনি। এরপর বিচারকার্যের শুরুতেই বিচারক অ্যালভিন হেলারস্টাইন মাদুরোর মুখে ঘটনার বিস্তারিত জানতে চান। মাদুরো জানান, গত ৩ জানুয়ারি কারাকাস থেকে স্ত্রীসহ জোরপূর্বক তুলে আনা হয়েছে তাকে। নিজেকে এখনও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দাবি করে তার বিরুদ্ধে আনা যুক্তরাষ্ট্রের সকল অভিযোগ মিথ্যা বলে আদালতকে জানান।

বিবিসি জানায়, শুনানির পুরো সময়জুড়ে শান্ত ছিলেন মাদুরো। বিচারকার্যে হঠাৎ উপস্থিত একজন স্প্যানিশ ভাষায় চিৎকার করে মাদুরোর বিচার দাবি করেন। এসময় তার দিকে ফিরে তাকিয়ে মাদুরো ফের জানান, তিনি যুদ্ধবন্ধী।

এদিকে, মাদুরোর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আদালতে তোলার সময় তার চোখের কোণে ও কপালে ব্যান্ডেজ ছিল। শনিবার মার্কিন হামলার সময় আহত হন তিনি। ট্রায়ালে ফ্লোরেসের উপযুক্ত চিকিৎসা নিশ্চিতে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন তার আইনজীবী। আদালত জানায়, তার চিকিৎসার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। তবে শুনানির সময় মাদুরো ও তার স্ত্রীর জন্য জামিন আবেদন করেনি আইনজীবী।

মাদক-সন্ত্রাস মামলার প্রথম দফার শুনানি শেষে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে ফের ব্রুকলিনের ডিটেনশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আগামী ১৭ মার্চ পরবর্তী দফার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, ম্যানহাটনের আদালতে বিচার চলার সময় বাইরে বিক্ষোভ করছিল মাদুরো সমর্থকরা। এসময় তারা স্ত্রীসহ মাদুরোর দ্রুত মুক্তি ও যুদ্ধ বন্ধের স্লোগান দিতে থাকে। সন্ত্রাসবাদ, কোকেনসহ মাদক পাচার, আগ্নেয়াস্ত্র ও ধ্বংসাত্মক বিস্ফোরক বহনসহ চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে মাদুরোর বিরুদ্ধে। যা প্রমাণ হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে তার। অন্যদিকে, মাদুরোর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা ছাড়াও, অপহরণ, মারধর ও গুমের অভিযোগ আনা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button