
জলবায়ু পরিবর্তনে বিপর্যস্ত হাওরের প্রকৃতি ও রহস্যকাহিনি নিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘নাওবিবি’। কিশোরগঞ্জের নিকলী ও করিমগঞ্জের বিভিন্ন লোকেশনে ইতিমধ্যেই এর শুটিং শেষ হয়েছে।
গল্পে দেখা যাবে, এক ট্রাভেলার হাওরে এসে অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়। রাতে পানিতে হঠাৎ জ্বলে ওঠে আগুন, আর সেই আগুনের ওপারে দাঁড়িয়ে থাকে রহস্যতরুণী মায়া।
তাকে ধাওয়া করতে গিয়ে ট্রাভেলার ঢুকে যায় হাওরের রহস্যের ভেতর। সেই রহস্য কাটিয়ে উঠতে গিয়ে মায়া চরিত্রে ভর করে হাওরের প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও মানুষের গভীর টানাপড়েন। একসময় স্পষ্ট হয়, মায়া কেবল এক তরুণী নয়, বরং হাওরের আত্মা। তার চরিত্রে ফুটে উঠে হাওরের প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও মানুষের গভীর টানাপড়েন।
মাহাফুজ মুন্না বলেন, চিত্রনাট্য পড়ে অসম্ভব ভালো লেগে যায়।
ইসরাত জাহান প্রমি বলেন, ‘গল্পের মায়া চরিত্রে কাজ করা ছিল ভীষণ চ্যালেঞ্জিং। এখানে শুধু অভিনয় নয়, হাওরের প্রতিনিধিত্বও করতে হয়েছে। আমার মাধ্যমে দর্শক মায়াকেই নয়, দেখবে হাওরকে।’
‘নাওবিবি’ মূলত হাওরের আবেগ, রহস্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তবতা নিয়ে গড়া এক থ্রিলার। পরিবেশ সচেতনতার পাশাপাশি এতে রয়েছে রোমাঞ্চ, রহস্য, আবেগ ও সিনেমাটিক আবহ।
জানা গেছে, ‘নাওবিবি’ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।



