Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
আন্তর্জাতিকমধ্যপ্রাচ্য

গাজা ও লেবাননের জন্য ৩.৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান কুয়েতের

গাজায় মানবিক সংকট বিশেষ করে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে ও লেবাননে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করতে ৩.৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছে কুয়েত। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) এর সঙ্গে দুটি অনুদান চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কুয়েত তহবিল ফর আরব ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট।

আনাদোলুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউনিসেফে দেওয়া কুয়েতের এই তহবিলের মধ্যে গাজার পানি খাতকে ১.৫ মিলিয়ন ডলার এবং লেবাননে শিক্ষার উন্নয়নে ২ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হবে।

এক বিবৃতিতে কুয়েতের সরকার পরিচালিত তহবিল জানিয়েছে, গাজা প্রকল্পের লক্ষ্য পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করা, নিরাপদ পানীয় জল সরবরাহ করা এবং ছিটমহলে মানবিক অবস্থার অবনতিশীলতার মধ্যে জনস্বাস্থ্যের উন্নতি করা।

এর আগে সোমবার, গাজার দ্বিতীয় বৃহত্তম ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়া আগেই থেকেই ইসরাইলের চলমান সীমান্ত বন্ধের কারণে অঞ্চলটির বৃহত্তম সুবিধা যেমন জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তাতে অঞ্চলটিতে মানবিক বিপর্যয় চরমে পৌঁছেছে।

তহবিল নিয়ে আরও বলা হয়েছে, লেবানন প্রকল্পটি দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মান অনুসারে তিনটি পাবলিক স্কুল পুনর্বাসনের মাধ্যমে স্থানীয় এবং শরণার্থী শিশুদের জন্য শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করার জন্য অবকাঠামোতে বিনিয়োগ করবে।

এর আগে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে, ২৬ জানুয়ারির মধ্যে দক্ষিণ লেবানন থেকে সম্পূর্ণরূপে সেনা প্রত্যাহারের কথা ছিল ইসরাইলের।  কিন্তু ইসরাইল তা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর সময়সীমা ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়। যদিও সেই সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও পাঁচটি সীমান্ত চৌকিতে এখনও তাদের সামরিক উপস্থিতি বজায় রয়েছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারের এই অনুদানটি কুয়েত তহবিল এবং ইউনিসেফের মধ্যে দশম মানবিক সহায়তা চুক্তি। ২০১৭ সাল থেকে, তহবিলটি জাতিসংঘের সংস্থার সঙ্গে নয়টি প্রকল্পের জন্য প্রায় ২৪ মিলিয়ন ডলার প্রদান করেছে। এছাড়াও নিজস্ব সম্পদ ব্যবহার করে স্বাধীনভাবে পরিচালিত কুয়েত তহবিল উন্নয়নশীল দেশগুলিকে অবকাঠামো প্রকল্পে সহায়তা করার জন্য ছাড়মূলক ঋণ এবং উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করে।

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button