
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) প্রথম দিনের দলবদলে সবচেয়ে বড় চমকটা দিয়েছিল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জই। বাংলাদেশের এসে খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকা সাকিব আল হাসানকে নিবন্ধন করেছিল দলটি। তবে একদিন পরই সেটা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে তাদের। তারকা এই অলরাউন্ডারের নিবন্ধন স্থগিত করার জন্য সিসিডিএমের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে রূপগঞ্জ।
গত শনিবার মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস (সিসিডিএম) কার্যালয়ে সাকিবকে স্কোয়াডে যুক্ত করে রূপগঞ্জ। বিষয়টি তখনই জন্ম দেয় বিস্ময়ের, কারণ গত বছর সরকার পতনের পর বাংলাদেশে এসে বিদায়ী টেস্ট ও বিপিএল খেলতে পারেননি জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক। তার বিরুদ্ধে রয়েছে কয়েকটি মামলাও। এছাড়া এই মূহুর্তে বোলিং অ্যাকশনও রয়েছে নিষিদ্ধ। এরপর রুপগঞ্জ সাকিবকে খেলানোর আশায় ছিল।
তবে একদিন বাদেই রোববার মিরপুরে রূপগঞ্জ কর্তা তারিকুল ইসলাম টিটু জানালেন ভিন্ন কথা। “আপনারা সবাই জানেন সাকিব আল হাসানকে লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জে খেলানোর জন্য আমরা গতকাল দলবদলে অংশগ্রহণ করেছি। আজকে আমাদের সাথে সাকিবের কথা হয়েছে। এখন উনি আমাদের কাছে একটা অনুরোধ করেছেন আপাতত উনার দলবদলটা স্থগিত রাখার জন্য। আমরা সিসিডিএমকে সেটা জানিয়ে দিয়েছি।”
বাংলাদেশে এসে খেলার অনিশ্চয়তার পাশাপাশি সাকিব বোলিং অ্যাকশন নিয়েও আছেন সংশয়ে। গত সেপ্টেম্বরে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে গিয়ে বোলিং অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হয় তার। দুই দফায় পরীক্ষা দিয়েও পারেননি উত্তীর্ণ হতে। যদিও নিবন্ধন করে রূপগঞ্জের কর্ণধার বাদল বলেছিলে, বোলিং অ্যাকশন শুধরে ডিপিএল খেলতে আসছেন সাকিব।
সেটা যে আপাতত আর হচ্ছে না, তা নিশ্চিত করে দিয়েছেন তারিকুল ইসলাম। “সাকিব আল হাসানের প্রতি সম্পূর্ণ সম্মান বজায় রেখে তার যে আবেদনটা, সেটা আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সিসিডিএমকে জানিয়েছি। উনি বলেছেন, উনি যখনই দেশে আসতে পারবেন… আপনারা জানেন উনি বর্তমানে দেশে আসতে পারছেন না। উনি বলেছেন উনি আসতে পারলে, উনি গত বছর যে দলে খেলেছেন, আমরা চেষ্টা করব ওই দলের কাছে থেকে সম্মতির ভিত্তিতে তাকে খেলানোর। সে যদি আবার আমাদের দলে খেলতে চায়, আমরা পরবর্তীতে তাকে দলভুক্ত করব।”
উল্লেখ্য, ডিপিএলের গত আসরে সাকিব খেলেছিলেন শেখ জামাল ধানমন্ডির হয়ে। নিবন্ধন স্থগিত হওয়ায় এবারের আসরে তার খেলা নিয়ে তৈরি হল অনিশ্চয়তার, যার সমাধান সহসাই হওয়ার সম্ভাবনা কমই।



