‘পরমাণু অস্ত্র ইইউ প্রতিরক্ষা বিতর্কের অংশ হওয়া উচিত’

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ বলেছেন, ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য তিনি ফ্রান্সের পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার নিয়ে আলোচনা শুরুর পক্ষে৷ তার এমন বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন দেশটির কয়েকজন বিরোধী রাজনীতিক৷
রোববার মাক্রোঁ বলেন, ফ্রান্স ‘ইউরোপের নিরাপত্তায় আরও অবদান রাখতে’ প্রস্তুত৷
ফ্রান্সের কয়েকটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ফ্রান্সের পরমাণু অস্ত্র একটি একক ইউরোপীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হতে পারে৷
এখন পর্যন্ত, ফ্রান্সের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ হুমকির মুখে পড়লে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের কথা বলা আছে৷ কিন্তু মাক্রোঁ বলছেন, এই শর্তকে ‘ইউরোপীয় মাত্রা’ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনায় তিনি আগ্রহী৷
তিনি বলেন, সব সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে৷ এরপর ‘‘দেখা যেতে পারে যে, কোন বিষয়টি আসলেই আমাদের রক্ষা করতে পারবে,” আঞ্চলিক গণমাধ্যম গ্রুপ ইবিআরএকে বলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট৷
ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার পর ফ্রান্সই একমাত্র ইইউ সদস্যরাষ্ট্র যার পরমাণু অস্ত্র আছে৷
সমালোচনা
ইউরোপীয় সংসদের সদস্য ফ্রাসোয়াঁ-জাভিয় বেলামি মাক্রোঁর মন্তব্যকে ‘খুব গুরুতর’ বলে আখ্যায়িত করেছেন৷ ‘‘আমরা ফরাসি সার্বভৌমত্বের স্নায়ু স্পর্শ করছি,” বলে মন্তব্য করেন তিনি৷ আসন্ন ইইউ নির্বাচনে বেলামি ডানপন্থি এলআর দলকে নেতৃত্ব দেবেন৷
উগ্র বামপন্থি ফরাসি সাংসদ বাস্টিয়া লাঁশো বলেন, ফ্রান্সের পারমাণবিক অস্ত্র ‘শেয়ার করা যাবে না’৷ তিনি বলেন, ‘‘ইউরোপের মাটি রক্ষার নামে মাক্রোঁ ফ্রান্সের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বাতিল করতে চাইছেন৷”
উগ্র-ডানপন্থি ইউরোপীয় সাংসদ থিয়েরি মারিয়ানি ম্যাক্রোঁর বিরুদ্ধে ‘জাতীয় বিপদে পরিণত হওয়ার’ অভিযোগ এনেছেন৷ মারিয়ানি গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মাক্রোঁর প্রতিপক্ষ ল্য পেনের দলের সদস্য৷ ডয়চে ভেলে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক। বাংলা টিভি



