বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে থাই বিনিয়োগ চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আঞ্চলিক বাণিজ্যিক সহযোগিতা,শান্তি ও নিরাপত্তাসহ নানা ইস্যুতে, এক যোগে কাজ করবে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড। রোহিঙ্গা সমস্যার একটি গ্রহণযোগ্য ও স্থায়ী সমাধানে, বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন। স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ বিবৃতিতে, দু’দেশের সরকার প্রধান এসব কথা জানান। এর আগে দু’দেশের মধ্যে একটি চুক্তি,তিনটি সমঝোতা ও একটি প্রাথমিক চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়।
ব্যাংককের স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় দেশটির গভর্নমেন্ট হাউস বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান, দেশটির সরকার প্রধান স্রেথা থাভিসিন। লাল গালিচার উষ্ণ অভ্যর্থনার পর, বাংলাদেশের সরকার প্রধানকে গার্ড অব অনার প্রদান করে, থাই রাজকীয় সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল।
ছয়দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলো, দু’দেশের সরকার প্রধানের নেতৃত্বে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। এতে চলতি বছরেই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে একমত হয়েছে দুই দেশ। এ ছাড়া,বাংলাদেশের সঙ্গে থাইল্যান্ডে সরাসরি জাহাজ চলাচল,আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।
পরে সরকারী পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে দুই দেশ। এছাড়া জ্বালানী,পর্যটন শিল্প, শুল্ক এবং কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত করণ শিল্পে সহযোগিতার জন্য, তিনটি সমঝোতা স্মারক সাক্ষরিত হয়েছে। সেই সঙ্গে চলতি বছরেই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির জন্য, প্রাথমিক চুক্তিপত্র বা লেটার অব ইনটেন্ট স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড।
পরে দু’দেশের যৌথ বিবৃতিতে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জানান,বাংলাদেশের সঙ্গে অবকাঠামো ও যোগাযোগ উন্নয়নে আলোচনা হয়েছে। এসময় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন স্রেথা থাভিসিন। বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে থাইল্যান্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে, দেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগ সহ বেশ কিছু প্রস্তাব তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।
৫২ বছরের বন্ধুত্ব থাকলেও,থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের কোনো সরকার প্রধানের এটাই প্রথম সফর।
বাংলা টিভি / বুলবুল



