Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.
আওয়ামী লীগজাতীয় নির্বাচনরাজনীতি

আওয়ামী লীগের সাথে ইসির বৈঠক

হলফনামায় দল হিসেবে জামাতে ইসলামীর নাম উল্লেখ করে, ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিলে, নির্বাচন কমিশনকে পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। সন্ধ্যায়   নির্বাচন কমিশনে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল নিয়ে সাক্ষাত কোরে এ অনুরোধ জানান তিনি।

আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানাতে, এইচ টি ইমামের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের ওই প্রতিনিধি দলটি কমিশনে যায়।

এসময় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ফটো জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির প্রার্থীদের পোস্টারে যাতে ব্যবহার করা না সে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

ইচটি ইমাম বলেন, ‘আমরা আইনের বিষয় মেনে চলার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি। নির্বাচনের পোস্টারে শুধু নিজ দলের সভাপতির ছবি ব্যবহার করবে। এজন্য আ.লীগ শুধু শেখ হাসিনার ছবি ব্যবহার করছে। এমনকি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিও ব্যবহার করছে না। জাতীয় ঐকফ্রন্ট ও বিএনপির প্রার্থীদের পোস্টারে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি ব্যবহারের বিষয়ে আমরা আপত্তি জানিয়েছি। খালেদা জিয়া যেহেতু কারাগারে ও বিএনপি চেয়ারপারসন নয়, তারেক জিয়া বর্তমান চেয়ারপারসন হলেও দণ্ডিত আসামি এবং পলাতক অবস্থায় আছেন। দণ্ডিত আসামি হওয়ায় এবং পলাতক থাকায় কোনোভাবেই খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানে ছবি ব্যবহার করতে পারার কথা নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও দলীয় প্রধান হিসেবে নির্বাচনি প্রচারে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করেন। ভিডিও কনফারেন্সের সব সাপোর্ট দলীয়ভাবেই নেওয়া হয়। দল এবং সরকারের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরার চেষ্টা করছি। কাজেই আওয়ামী লীগ নির্বাচন আচরণবিধি মেনেই নির্বাচন পরিচালনা করছে। অন্যদেরও আইন মেনে প্রচার চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য বলেছি।’

লাঠির ওপর ধানের শীষ নিয়ে প্রচার কাজের বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যরিষ্টার মওদুদ আহমদের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া আ.লীগের এই নেতা বলেন, ‘এতে যেকোনো ধরণের সংঘাতের ঘটনা ঘটতে পারে। শুধু বিএনপি নয়, যেকোনো দলেরই নির্বাচনি প্রচারে লাঠি বা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এমন বস্তুর ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন।’

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালকুদার বারবার কমিশনের সিদ্ধান্তে বিরোধিতা করায় আ.লীগের কমিশনের প্রতি আস্থাহীনতা আছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আস্থাহীনতা আছে বলে মনে করি না। নির্বাচন কমিশন আদালতের মতো। সেখানে বিচারকরা যেমন নোট অব ডিসেন্ট দিতে পারে, এখানে কমিশনাররাও নোট অব ডিসেন্ট দিতে পারেন। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠদের মতামতই গ্রহণযোগ্য হবে।’

বৈঠকে নির্বাচন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাটিভি/এমআরকে

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button